চুয়াডাঙ্গা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার পাশে চেয়ার পেতে কাজ করেন কে এই রমজান!

Padma Sangbad
২৩

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
নাম রমজান আলী। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কাজ করেন। তবে তিনি কোন সরকারী কর্মচারী নয়। খন্ডকালীন তাকে কেউ নিয়োগও দেননি। রমজান আলী উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার পাশে চেয়ারে বসে কাজ করেন। ভুমি অফিসের গুরুত্বপুর্ন নথি তিনি ঘাটাঘাটি করেন। অনেকের গুরুত্বপুর্ন কাগজ টেম্পারিং করে সর্বনাশও করেছেন এই রমজান। বিনিময়ে কৃষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কৃষকদের কোন অভিযোগ না থাকলেও তার মৌন সম্মতিতে মাসের পর মাস রমজান আলী খতিয়ান খোলাসহ বিভিন্ন কাজ করেন। কাজ শেষ হলেই ভুমি অফিসের বাইরে এসে কৃষকদের কাছ থেকে টাকা নেন। এমন একজন কৃষক গোবিন্দপুরের আকমল হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন নাম খারিজের পর খতিয়ান বইতে হোল্ডিং বসাতে নেন এক’শ টাকা করে। দালাদের উৎপাতে ভুমি অফিসে আসা গ্রামের কৃষকরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। ফলে রমজানের কর্মকান্ডে জমির মালিকেরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকদিন সাধুহাটি ইউনিয়ন ভুমি অফিস পরিদর্শন করে এমন চিত্র মিলেছে। দেখা গেছে রমজান আলী ইউনিয়ন উপ-সহকারি ভুমি কর্মকর্তার পাশের চেয়ারে বসে ভোলিয়াম বই নিয়ে লেখা লেখি করছেন। বিষয়টি নিয়ে উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তা সালিমা সুলতানা জানান, তাকে তো এমন ভাবে কাজ করার কথা নয়। আমার অজান্তেই হয়তো তিনি ভলিউম বই নিয়ে লেখালেখি করনে। বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলেও জানান।

আপডেট : ০৮:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার পাশে চেয়ার পেতে কাজ করেন কে এই রমজান!

আপডেট : ০৮:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
২৩

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
নাম রমজান আলী। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কাজ করেন। তবে তিনি কোন সরকারী কর্মচারী নয়। খন্ডকালীন তাকে কেউ নিয়োগও দেননি। রমজান আলী উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার পাশে চেয়ারে বসে কাজ করেন। ভুমি অফিসের গুরুত্বপুর্ন নথি তিনি ঘাটাঘাটি করেন। অনেকের গুরুত্বপুর্ন কাগজ টেম্পারিং করে সর্বনাশও করেছেন এই রমজান। বিনিময়ে কৃষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কৃষকদের কোন অভিযোগ না থাকলেও তার মৌন সম্মতিতে মাসের পর মাস রমজান আলী খতিয়ান খোলাসহ বিভিন্ন কাজ করেন। কাজ শেষ হলেই ভুমি অফিসের বাইরে এসে কৃষকদের কাছ থেকে টাকা নেন। এমন একজন কৃষক গোবিন্দপুরের আকমল হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন নাম খারিজের পর খতিয়ান বইতে হোল্ডিং বসাতে নেন এক’শ টাকা করে। দালাদের উৎপাতে ভুমি অফিসে আসা গ্রামের কৃষকরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। ফলে রমজানের কর্মকান্ডে জমির মালিকেরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকদিন সাধুহাটি ইউনিয়ন ভুমি অফিস পরিদর্শন করে এমন চিত্র মিলেছে। দেখা গেছে রমজান আলী ইউনিয়ন উপ-সহকারি ভুমি কর্মকর্তার পাশের চেয়ারে বসে ভোলিয়াম বই নিয়ে লেখা লেখি করছেন। বিষয়টি নিয়ে উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তা সালিমা সুলতানা জানান, তাকে তো এমন ভাবে কাজ করার কথা নয়। আমার অজান্তেই হয়তো তিনি ভলিউম বই নিয়ে লেখালেখি করনে। বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলেও জানান।