চুয়াডাঙ্গা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতা থেকে মরদেহ দ্রুত ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শামা ওবায়েদ

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

আজ বুধবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত জানা গেছে, ওই হোটেলে পাঁচজন বাংলাদেশি ছিলেন এবং স্থানীয় পুলিশ তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার সার্বক্ষণিকভাবে বিষয়টির খোঁজখবর রাখছেন। তিনি ঘটনাস্থলের হোটেল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, কলকাতায় বাংলাদেশের মিশন ইতোমধ্যে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশে যোগাযোগ করেছে। নিহতদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কলকাতার মিশন কাজ করছে।

মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ সরকার বহন করবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিহতরা শ্রমিক বা প্রবাসী কল্যাণের আওতাভুক্ত না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যবস্থা হয়তো এখানে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। তবে নিহতদের পরিবার যদি মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ বহন করতে না পারে, তাহলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি দেখবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন।

কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলটিতে অগ্নিনিরাপত্তার মৌলিক ব্যবস্থা ছিল না। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হোটেলের মালিক ও কর্মীদের খোঁজা হচ্ছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছে।।

আপডেট : ০১:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতা থেকে মরদেহ দ্রুত ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শামা ওবায়েদ

আপডেট : ০১:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক।।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ শনাক্তকরণ ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

আজ বুধবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত জানা গেছে, ওই হোটেলে পাঁচজন বাংলাদেশি ছিলেন এবং স্থানীয় পুলিশ তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার সার্বক্ষণিকভাবে বিষয়টির খোঁজখবর রাখছেন। তিনি ঘটনাস্থলের হোটেল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, কলকাতায় বাংলাদেশের মিশন ইতোমধ্যে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশে যোগাযোগ করেছে। নিহতদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কলকাতার মিশন কাজ করছে।

মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ সরকার বহন করবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিহতরা শ্রমিক বা প্রবাসী কল্যাণের আওতাভুক্ত না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যবস্থা হয়তো এখানে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। তবে নিহতদের পরিবার যদি মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার খরচ বহন করতে না পারে, তাহলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি দেখবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে ওই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন।

কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলটিতে অগ্নিনিরাপত্তার মৌলিক ব্যবস্থা ছিল না। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। হোটেলের মালিক ও কর্মীদের খোঁজা হচ্ছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছে।।