চুয়াডাঙ্গা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণঅভ্যুত্থানে নিহত আমিরের মরদেহ সাড়ে ৩ মাস পর উত্তোলন

Padma Sangbad
৭১

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অটোরিকশাচালক মো. আমির হোসেনের (২৮) মরদেহ দাফনের ৩ মাস ১৫ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

আজ রবিবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের মৌপাড়া এলাকার পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

মরদেহ উত্তোলনের সময় বরগুনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম, মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং নিহতের পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা রামপরা একরামুন নেছা ডিগ্রি কলেজ এলাকার উলান সড়কে জুমার নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন আমীর হোসেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। ওইদিন রাতেই মরদেহ বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার মৌপাড়া গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সে সময় পরিস্থিতি বিবেচনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের স্ত্রী আন্নী।

পিবিআই তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ রানা বলেন, নিহতের স্ত্রীর আদালতে মামলার প্রেক্ষিতে আদালত মরদেহ ময়নাতদন্তের আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ন্যায় বিচারের স্বার্থে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উত্তোলন করে বরগুনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

আপডেট : ০৯:০৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

গণঅভ্যুত্থানে নিহত আমিরের মরদেহ সাড়ে ৩ মাস পর উত্তোলন

আপডেট : ০৯:০৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪
৭১

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অটোরিকশাচালক মো. আমির হোসেনের (২৮) মরদেহ দাফনের ৩ মাস ১৫ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

আজ রবিবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের মৌপাড়া এলাকার পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

মরদেহ উত্তোলনের সময় বরগুনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম, মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং নিহতের পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা রামপরা একরামুন নেছা ডিগ্রি কলেজ এলাকার উলান সড়কে জুমার নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন আমীর হোসেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। ওইদিন রাতেই মরদেহ বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার মৌপাড়া গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সে সময় পরিস্থিতি বিবেচনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের স্ত্রী আন্নী।

পিবিআই তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ রানা বলেন, নিহতের স্ত্রীর আদালতে মামলার প্রেক্ষিতে আদালত মরদেহ ময়নাতদন্তের আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ন্যায় বিচারের স্বার্থে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উত্তোলন করে বরগুনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।