চুয়াডাঙ্গা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

Padma Sangbad
৯১

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহিদ নূর হোসেনসহ অনেকে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে গেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষ্যে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, আগামীকাল ১০ নভেম্বর শহিদ নূর হোসেন দিবস। বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এ দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সাহসী সৈনিক নূর হোসেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তিপাক’ শ্লোগান শরীরে ধারণ করে অন্যায়, অবিচার আর অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। সেদিন প্রতিবাদের পুরোভাগে থাকা শহিদ নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। মোঃ সাহাবুদ্দিন শহিদ নূর হোসেন দিবসে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন নূর হোসেনসহ গণতন্ত্রের জন্য আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদকে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি একটি অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁরই নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ‘আমরা কাঙ্খিত বিজয় অর্জন করি’। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা রুদ্ধ হয়। উত্থান ঘটে স্বৈরশাসনের। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এ আন্দোলনে শহিদ নূর হোসেনসহ আরো অনেকে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে গেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নূর হোসেনসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মদানকারী সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

আপডেট : ০৭:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

আপডেট : ০৭:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩
৯১

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহিদ নূর হোসেনসহ অনেকে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে গেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষ্যে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, আগামীকাল ১০ নভেম্বর শহিদ নূর হোসেন দিবস। বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এ দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সাহসী সৈনিক নূর হোসেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তিপাক’ শ্লোগান শরীরে ধারণ করে অন্যায়, অবিচার আর অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। সেদিন প্রতিবাদের পুরোভাগে থাকা শহিদ নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। মোঃ সাহাবুদ্দিন শহিদ নূর হোসেন দিবসে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন নূর হোসেনসহ গণতন্ত্রের জন্য আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদকে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি একটি অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁরই নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ‘আমরা কাঙ্খিত বিজয় অর্জন করি’। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা রুদ্ধ হয়। উত্থান ঘটে স্বৈরশাসনের। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এ আন্দোলনে শহিদ নূর হোসেনসহ আরো অনেকে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে গেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নূর হোসেনসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মদানকারী সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।