চুয়াডাঙ্গা ০২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাংনীতে জন্ম নিল মানুষের মুখের মতো ছাগলের বাচ্চা, দেখতে ভিড় করছেন শত শত মানুষ

Padma Sangbad
৭৭

মেহেরপুরের গাংনীতে এক ছাগলের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া অস্বাভাবিক গঠনের একটি বাচ্চা এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বাচ্চাটির মুখাবয়ব অনেকটা মানুষের মতো হওয়ায় ঘটনাস্থলে ভিড় করছেন শত শত কৌতূহলী মানুষ।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার দুপুরে, গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সামনে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হেমায়েতপুর রাজাপাড়া গ্রামের এক বাসিন্দার পোষা ছাগলটি প্রথমে দুটি স্বাভাবিক বাচ্চা প্রসব করে। পরে তৃতীয় বাচ্চাটি প্রসবজনিত জটিলতায় আটকে গেলে, ছাগলটিকে গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে নেওয়া হয়।

সেখানে পশু চিকিৎসক ইব্রাহিম হোসেনের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় বাচ্চাটির জন্ম হয়, তবে এটি মৃত ছিল। অবাক করার বিষয় হলো, মৃত বাচ্চাটির মুখ, চোখ, নাক ছিল অনেকটা মানুষের মতো। পেছনের পা ছিল বড় এবং সামনের পা ছোট; তবে কান ছিল ছাগলের মতোই।

ছাগলের মালিক জানান, এমন দৃশ্য দেখে তিনিসহ উপস্থিত সবাই হতভম্ব হয়ে যান। এরই মধ্যে এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ছড়ায় এবং অনেকে ছবি-ভিডিও তুলতে ভিড় করেন প্রাণিসম্পদ অফিসের সামনে।
গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন বলেন, “এই ধরনের গঠন মূলত জিনগত ত্রুটির কারণে হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থায় বিকাশজনিত ত্রুটির ফলেই এমন অস্বাভাবিক আকৃতি দেখা দিতে পারে।”

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে অলৌকিক বললেও বিশেষজ্ঞরা এটিকে ব্যাখ্যা করছেন প্রাকৃতিক জিনগত বিচ্যুতি হিসেবে।
এ ধরনের ঘটনায় অতিরিক্ত গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপডেট : ১১:০০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫

গাংনীতে জন্ম নিল মানুষের মুখের মতো ছাগলের বাচ্চা, দেখতে ভিড় করছেন শত শত মানুষ

আপডেট : ১১:০০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫
৭৭

মেহেরপুরের গাংনীতে এক ছাগলের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া অস্বাভাবিক গঠনের একটি বাচ্চা এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বাচ্চাটির মুখাবয়ব অনেকটা মানুষের মতো হওয়ায় ঘটনাস্থলে ভিড় করছেন শত শত কৌতূহলী মানুষ।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার দুপুরে, গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সামনে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হেমায়েতপুর রাজাপাড়া গ্রামের এক বাসিন্দার পোষা ছাগলটি প্রথমে দুটি স্বাভাবিক বাচ্চা প্রসব করে। পরে তৃতীয় বাচ্চাটি প্রসবজনিত জটিলতায় আটকে গেলে, ছাগলটিকে গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে নেওয়া হয়।

সেখানে পশু চিকিৎসক ইব্রাহিম হোসেনের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় বাচ্চাটির জন্ম হয়, তবে এটি মৃত ছিল। অবাক করার বিষয় হলো, মৃত বাচ্চাটির মুখ, চোখ, নাক ছিল অনেকটা মানুষের মতো। পেছনের পা ছিল বড় এবং সামনের পা ছোট; তবে কান ছিল ছাগলের মতোই।

ছাগলের মালিক জানান, এমন দৃশ্য দেখে তিনিসহ উপস্থিত সবাই হতভম্ব হয়ে যান। এরই মধ্যে এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ছড়ায় এবং অনেকে ছবি-ভিডিও তুলতে ভিড় করেন প্রাণিসম্পদ অফিসের সামনে।
গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন বলেন, “এই ধরনের গঠন মূলত জিনগত ত্রুটির কারণে হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থায় বিকাশজনিত ত্রুটির ফলেই এমন অস্বাভাবিক আকৃতি দেখা দিতে পারে।”

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে অলৌকিক বললেও বিশেষজ্ঞরা এটিকে ব্যাখ্যা করছেন প্রাকৃতিক জিনগত বিচ্যুতি হিসেবে।
এ ধরনের ঘটনায় অতিরিক্ত গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।