চুয়াডাঙ্গা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় মিন্টুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"effects":1,"remove":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

দৈনিক পদ্মা সংবাদ :
চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় আশাদুল হক মিন্টু (৩৯) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) সত্যব্রত শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আশাদুল হক মিন্টু চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়াড় চুনুরীপাড়া এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে আদালত মিন্টুকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ দুপুরে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাসান চত্বরে ডিবি পুলিশের একটি দল অবস্থান করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, দৌলতদিয়াড় গ্রামের ব্রিজের নিচে এক ব্যক্তি হেরোইন ও প্যাথিডিন ইনজেকশন বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন।
পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিন্টু পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ তল্লাশি করে প্যান্টের ডান পকেট থেকে তিনটি পলিথিনে মোড়ানো প্যাকেটে ১৩৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার বাম পকেট থেকে ১৮টি প্যাথিডিন ইনজেকশনের অ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়।
জব্দতালিকা অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া হেরোইনের আনুমানিক মূল্য ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং প্যাথিডিন ইনজেকশনের মূল্য ধরা হয় ১ হাজার ৮০০ টাকা। এ ঘটনায় মিন্টুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। পরে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি মাঞ্জার আলী জোয়ার্দ্দার হেলাল বলেন, দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা মামলায় আদালতের এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফজলে রাব্বী সাগর বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

আপডেট : ০৬:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় মিন্টুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট : ০৬:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

দৈনিক পদ্মা সংবাদ :
চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় আশাদুল হক মিন্টু (৩৯) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) সত্যব্রত শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আশাদুল হক মিন্টু চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়াড় চুনুরীপাড়া এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে আদালত মিন্টুকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ দুপুরে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাসান চত্বরে ডিবি পুলিশের একটি দল অবস্থান করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, দৌলতদিয়াড় গ্রামের ব্রিজের নিচে এক ব্যক্তি হেরোইন ও প্যাথিডিন ইনজেকশন বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন।
পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিন্টু পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ তল্লাশি করে প্যান্টের ডান পকেট থেকে তিনটি পলিথিনে মোড়ানো প্যাকেটে ১৩৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার বাম পকেট থেকে ১৮টি প্যাথিডিন ইনজেকশনের অ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়।
জব্দতালিকা অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া হেরোইনের আনুমানিক মূল্য ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং প্যাথিডিন ইনজেকশনের মূল্য ধরা হয় ১ হাজার ৮০০ টাকা। এ ঘটনায় মিন্টুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। পরে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি মাঞ্জার আলী জোয়ার্দ্দার হেলাল বলেন, দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা মামলায় আদালতের এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফজলে রাব্বী সাগর বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।