আটোয়ারীতে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা:) উপলক্ষে আনন্দ মিছিল

মোঃ ইউসুফ আলী, আটোয়ারী(পঞ্চগড়) প্রতিনিধি।। পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা:)১৪৪৮ হিজরী উদযাপন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল হয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্র, যুব ও জমইয়াত হিযবুল্লাহ ,পঞ্চগড় জেলা শাখা’র ব্যানারে বুধবার ( ২৬ আগস্ট) বাদ জোহর উপজেলার ফকিরগঞ্জ বাজার কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ চত্বর থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়ে উপজেলার প্রায় ৪কি:মি: গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফকিরগঞ্জ বাজারের মুক্তিযোদ্ধা মুক্তাঙ্গণ সংলগ্ন ট্রাফিক মোড়ে উপস্থিত হয়। এখানে বাংলাদেশ যুব হিযবুল্লাহ উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ নূরুল্লাহ’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মোঃ খাদেমুল ইসলাম, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, আটোয়ারী মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ আইনুল হক, পঞ্চগড় জেলা যুব হিযবুল্লাহ’র সভাপতি মাওলানা মোঃ মাহমুদুল হাসান (অনু), ছাত্র হিযবুল্লাহ’র জেলা সভাপতি মাওলানা মোঃ দবিরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, হিজরী ৫৭০ সালের এই দিনে (১২ রবিউল আউয়াল) আরবের মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলোকিত কওে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)। মহানবী (সা:) অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। ২৫ বছর বয়সে মহানবী বিবি খাদিজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে তিনি নব্যুয়ত লাভ বা মহান রাব্বুল আলামিনের নৈকট্য লাভ করেন। পবিত্র কোরআন শরীফে বর্ণিত আছে, মহানবীকে সৃষ্টি না করলে আল্রাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীই সৃষ্টি করতেন না। এসব কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এ দিনের (পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর) গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশী।
বক্তারা বলেন,ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা:) শুধু আনন্দের দিন নয়, বরং মানবতার মুক্তির বার্তা স্মরণ করার দিন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) আগমনের মাধ্যমে অশান্ত, অন্যায় ও অবিচারে জর্জরিত পৃথিবী শান্তির বার্তা পেয়েছিল। তাঁর দেখানো আদর্শই পারে ভ্রাতৃত্ব, দয়া ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে। বক্তারা বলেন, নবীর জীবনাদর্শ আত্মস্থ করে ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনে প্রয়োগ করলেই প্রকৃত অর্থে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য ফুটে উঠবে।
আনন্দ মিছিলে জেলা ও উপজেলার হিযবুল্লাহ সংগঠনের সদস্য, বিভিন্ন মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক,বিভিন্ন মসজিদের ইমামসহ প্রায় ৩ শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লী অংশ নেন।
অপরদিকে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ, থানা মসজিদ, হাসপাতাল মসজিদ, বাজার মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে, আলোচনা, ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলসহ ও তবারক বিতরণের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবসটির ওপর গুরুত্বারোপ করে আলোচনা সভা, হামদ-নাথ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়।




















