চুয়াডাঙ্গা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে: বিরোধীদলীয় নেতা

Padma Sangbad
২৫

অনলাইন ডেস্ক।।
সংসদ সদস্যদের অধিবেশন চলাকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন অভিযোগ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘পার্লামেন্টের সৌন্দর্যবিধানের জন্য ওনাকে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে এবং ওনার বক্তব্য কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বের বক্তব্যে এ কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ অধিবেশনের সভাপত্বি করেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই, আজকে নতুন করে তিনি এই শব্দগুলো উচ্চারণ করেন নাই। সংসদ অধিবেশন যেদিন থেকে বসা শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই তিনি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে সবাইকে বলেন। উনি নিজেকে কী মনে করেন আমি বুঝতে পারি না। এমনকি তিনি এখানে দাঁড়িয়ে সেই দুঃসাহস পর্যন্ত দেখিয়েছেন, তিনি বলেছেন, সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘শিক্ষকতা করতে হলে উনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন। ওখানে যার পছন্দ হবে গিয়ে ভর্তি হবে, উনার লেকচার শুনবে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে একই বক্তব্যে উনি দুবার অ্যাটাক করে ফেললেন। আমরা সঙ্গীরা তো মনে করে, আমিও মনে করি, এইটা কালচালার না, এটা পার্লামেন্টেরিয়ান ফ্যাসিজম। এটা হওয়া উচিত না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘উনি এই পল্টন আজকে নতুন করে বলেন নাই, আজকেই হিট দিয়ে বলেন নাই, আজকে আমি সুস্পষ্টভাবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এই পার্লামেন্টের সৌন্দর্যবিধানের জন্য ওনাকে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে এবং উনার বক্তব্য কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে। যদি এটা করে তাহলে আমরা বসব। তা না হলে অপমান নিয়ে আমাদের এখানে বসার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’

পরে সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন করার জন্যই আমরা এখানে বসি।… আমি গভীর দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, ক্রমেই কিছু সংসদ সদস্যের মধ্যে অসহিষ্ণুতা দেখছি। সংসদে কথা বলার স্বাধীনতা দিতে হবে। একজন মন্ত্রীকেও তার কথা শেষ করতে দিতে হবে। আমি বিরোধীদলীয় নেতা যেটা বলেছেন, সেটা খতিয়ে দেখব। যদি অসংসদীয় কিছু থাকে, সেটা এক্সপাঞ্জ করা হবে।

আপডেট : ০২:৪৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে: বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট : ০২:৪৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
২৫

অনলাইন ডেস্ক।।
সংসদ সদস্যদের অধিবেশন চলাকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন অভিযোগ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘পার্লামেন্টের সৌন্দর্যবিধানের জন্য ওনাকে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে এবং ওনার বক্তব্য কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বের বক্তব্যে এ কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ অধিবেশনের সভাপত্বি করেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই, আজকে নতুন করে তিনি এই শব্দগুলো উচ্চারণ করেন নাই। সংসদ অধিবেশন যেদিন থেকে বসা শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই তিনি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে সবাইকে বলেন। উনি নিজেকে কী মনে করেন আমি বুঝতে পারি না। এমনকি তিনি এখানে দাঁড়িয়ে সেই দুঃসাহস পর্যন্ত দেখিয়েছেন, তিনি বলেছেন, সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘শিক্ষকতা করতে হলে উনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন। ওখানে যার পছন্দ হবে গিয়ে ভর্তি হবে, উনার লেকচার শুনবে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে একই বক্তব্যে উনি দুবার অ্যাটাক করে ফেললেন। আমরা সঙ্গীরা তো মনে করে, আমিও মনে করি, এইটা কালচালার না, এটা পার্লামেন্টেরিয়ান ফ্যাসিজম। এটা হওয়া উচিত না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘উনি এই পল্টন আজকে নতুন করে বলেন নাই, আজকেই হিট দিয়ে বলেন নাই, আজকে আমি সুস্পষ্টভাবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এই পার্লামেন্টের সৌন্দর্যবিধানের জন্য ওনাকে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে এবং উনার বক্তব্য কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে। যদি এটা করে তাহলে আমরা বসব। তা না হলে অপমান নিয়ে আমাদের এখানে বসার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’

পরে সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন করার জন্যই আমরা এখানে বসি।… আমি গভীর দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, ক্রমেই কিছু সংসদ সদস্যের মধ্যে অসহিষ্ণুতা দেখছি। সংসদে কথা বলার স্বাধীনতা দিতে হবে। একজন মন্ত্রীকেও তার কথা শেষ করতে দিতে হবে। আমি বিরোধীদলীয় নেতা যেটা বলেছেন, সেটা খতিয়ে দেখব। যদি অসংসদীয় কিছু থাকে, সেটা এক্সপাঞ্জ করা হবে।