চুয়াডাঙ্গা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটের বসত ঘরের বরান্দায় মৌচাক : কামড় দেয়না বাসিন্দাদের

Padma Sangbad
৫৯

জেলার পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পাচগাছি গ্রামে এক বাড়ির মালিক ও মৌমাছি একসাথে বসবাস করছেন। বাড়িটির মালিক মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়িটির ৩’তলার বারান্দায় হাজার হাজার মৌমাছি ১০-১২টি বাসা (চাক) বেঁধে বাস করছে। চাক গুলো লম্বা ও বড় হয়ে এতই নিচে ঝুলে এসেছে যে বাড়ির মানুষকে মাথা নিচু করে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় আনমনা চলাফেরার সময় মৌচাকে মাথা-হাত লাগলেও কামড় বা হুল দেয় না মৌমাছি গুলো। এত নিকটে মাছি গুলো বাসা বেঁধেছে হুল বা কামড় দিতে পারে এমন ভয় হয় কিনা জানতে চাইলে বাড়ির মালিক হাবিবুর রহমান বলেন, বছরের পর বছর মাছিগুলো চাক বেঁধে আছে এখন পর্যন্ত কাউকে কামড় দেয়নি। তিনি আরো বলেন, কয়েক বছর যাবৎ মৌমাছি গুলো বারান্দায় চাক বাঁধলেও একবারও মধু সংগ্রহ করা হয়নি। চেয়ারম্যানের স্ত্রী বলেন, আগে মাত্র ছোট ২টি চাক ছিল বারান্দার দরজার কাছে। আরো মৌমাছি এসে অনেক গুলো চাক বেঁধে কয়েক বছর থেকে বাস করছে। বারান্দায় চলাফেরা বা ভিজা কাপড় শুকানোর জন্য চাকের পাশেই তারে দেওয়ার সময় কাপড় ও হাত লাগলেও কামড় দেয় না। এজন্য মৌমাছি গুলোকে আমরা পরিবারের সদস্যের মতই মনে করি। পাঁচবিবি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নিয়ায কাযমীর রহমান বলেন, মৌমাছিকে বিরক্ত বা আঘাত করলে আত্বরক্ষার্থে তারাও হুল ফুড়ে দেয়। মানুষ বা গরু-ছাগলকে অতিরিক্ত মৌমাছি কখনও কামড় বা হুল দিলে মারা যাওয়ার আশংকা থাকে। সর্বোপরি মৌমাছি থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করাই শ্রেয় বলেও মন্তব্য করেন এ কর্মকর্তা।।

আপডেট : ১১:৪২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪

জয়পুরহাটের বসত ঘরের বরান্দায় মৌচাক : কামড় দেয়না বাসিন্দাদের

আপডেট : ১১:৪২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪
৫৯

জেলার পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পাচগাছি গ্রামে এক বাড়ির মালিক ও মৌমাছি একসাথে বসবাস করছেন। বাড়িটির মালিক মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়িটির ৩’তলার বারান্দায় হাজার হাজার মৌমাছি ১০-১২টি বাসা (চাক) বেঁধে বাস করছে। চাক গুলো লম্বা ও বড় হয়ে এতই নিচে ঝুলে এসেছে যে বাড়ির মানুষকে মাথা নিচু করে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় আনমনা চলাফেরার সময় মৌচাকে মাথা-হাত লাগলেও কামড় বা হুল দেয় না মৌমাছি গুলো। এত নিকটে মাছি গুলো বাসা বেঁধেছে হুল বা কামড় দিতে পারে এমন ভয় হয় কিনা জানতে চাইলে বাড়ির মালিক হাবিবুর রহমান বলেন, বছরের পর বছর মাছিগুলো চাক বেঁধে আছে এখন পর্যন্ত কাউকে কামড় দেয়নি। তিনি আরো বলেন, কয়েক বছর যাবৎ মৌমাছি গুলো বারান্দায় চাক বাঁধলেও একবারও মধু সংগ্রহ করা হয়নি। চেয়ারম্যানের স্ত্রী বলেন, আগে মাত্র ছোট ২টি চাক ছিল বারান্দার দরজার কাছে। আরো মৌমাছি এসে অনেক গুলো চাক বেঁধে কয়েক বছর থেকে বাস করছে। বারান্দায় চলাফেরা বা ভিজা কাপড় শুকানোর জন্য চাকের পাশেই তারে দেওয়ার সময় কাপড় ও হাত লাগলেও কামড় দেয় না। এজন্য মৌমাছি গুলোকে আমরা পরিবারের সদস্যের মতই মনে করি। পাঁচবিবি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নিয়ায কাযমীর রহমান বলেন, মৌমাছিকে বিরক্ত বা আঘাত করলে আত্বরক্ষার্থে তারাও হুল ফুড়ে দেয়। মানুষ বা গরু-ছাগলকে অতিরিক্ত মৌমাছি কখনও কামড় বা হুল দিলে মারা যাওয়ার আশংকা থাকে। সর্বোপরি মৌমাছি থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করাই শ্রেয় বলেও মন্তব্য করেন এ কর্মকর্তা।।