নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, আছে প্রতিবন্ধকতাও

অনলাইন ডেস্ক।।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট করতে ২০ জানুয়ারির মধ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন সেই প্রস্তুতি চলছে ইসিতে। এদিকে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সর্বোচ্চ কঠোর হওয়ার বার্তা দিয়ে রাখলেও একের পর এক সমালোচনায় পড়তে হচ্ছে ইসিকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসি শুধু কঠোর বার্তা দিলেই হবে না। মাঠ পর্যায়ে অবশ্যই বাস্তবায়ন দরকার। শুধু ভোটের দিন নিয়ে পরিকল্পনা নয়, নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ যেদিন থেকে শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই প্রতিটি পদক্ষেপ পরিকল্পনা অনুযায়ী করা দরকার ছিল। এখনো সেই সময় পেরিয়ে যায়নি। যত প্রতিবন্ধকতাই আসুক, সব উজিয়ে এগিয়ে যেতে হবে ইসিকে।
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সর্বোচ্চ কঠোর হওয়ার বার্তা দিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি বলেছিলেন, এবার আমাদের অর্ডার একটাই, আইনের মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে। কমিশনের নির্দেশনা পালনে কোনো কর্মকর্তা অবহেলা করলে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এমন কঠোর বার্তার পরও নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা দমাতে পারছে না ইসি। আচরণবিধি পরিপালনে কেন্দ্র যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, মাঠ পর্যায়ে সেই কঠোরতা দেখা যাচ্ছে না। ফলে মাঠ পর্যায়ে সবার জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে ইসির নির্দেশনা কার্যত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানটির আগারগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েই আটকে আছে। সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল, যাচাই, বাছাই প্রক্রিয়ার সময় বেশ কিছু জায়গায় প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে বাধা দেওয়া, প্রার্থীর প্রস্তাবকারী, সমর্থনকারীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তা ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই সম্ভাব্য প্রার্থীরা আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন বলে অভিযোগ যাচ্ছে ইসির কাছে। দলগতভাবে এবং প্রার্থীরা নিজ উদ্যোগে নিরাপত্তা চেয়ে ইসির দারস্থ হয়েছেন। কিন্তু সেই অর্থে অভিযোগের সুরাহা হচ্ছে না।
ইতোমধ্যে বড় দলগুলো নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কোনো কোনো দল বলেছে, ইসির কঠোর হওয়ার বার্তা আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের বাইরে মাঠ পর্যায়ে পৌঁছেছে কিনা সন্দেহ রয়েছে। একটি দল থেকে বলা হয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তাদের অভিযোগের কাগজের স্তূপ পড়ে থাকলেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দলীয় প্রধানদের প্রটোকল ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সমতা রক্ষা করা হচ্ছে না। আবার অন্য একটি দল বলেছে প্রবাসে যেসব পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে তা কোনো একটি দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তারা ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছানোর কাজ শেষ করতে যাচ্ছে ইসি।
রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিয়ে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করা হয়েছে। একই অসন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে দেশে এখনও সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ বজায় রয়েছে। কিন্তু ভোটে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো যেহেতু ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সত্য ও মিথ্যা উভয় তথ্যই প্রকাশ করা। অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নিতে হবে, মিথ্যা হলেও জানিয়ে দিয়ে ইসির কঠোর অবস্থান বোঝাতে হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইসির কঠিন পরীক্ষা শুরু হবে ২১ জানুয়ারি থেকে। কারণ সেদিন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং প্রতিক বরাদ্দ হবে। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে একযোগে নির্বাচনী বাজনা বাজতে শুরু করবে। প্রার্থীদের প্রচারণায় যখন সারাদেশ সরগরম হবে, তখন আচরণবিধি ভাঙার শঙ্কাও বেশি থাকবে। এজন্য ইসিকে শুরুতেই কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন একবার নমনীয়তার প্রমাণ পেলে প্রার্থীরা সুযোগ নিতে চাইবে। তাই একটা ভালো নির্বাচন করতে হলে মাঠ প্রশাসনকে আরও কার্যকর করার জন্য ইসির তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. আব্দুল আলীম আমাদের সময়কে বলেন, দলগুলো পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে। ইসির উচিত হবে অভিযোগ আমলে নিয়ে খতিয়ে দেখা। যদি সত্য হয়, ব্যবস্থা নিতে হবে। আর মিথ্যা হলেও জানাতে হবে। জানার অধিকার যেমন দলগুলোর আছে, তেমনি ভোটারদেরও আছে। তাদের জানাতে হবে। একটা দল অভিযোগ করেনি। কম বেশি সবাই অভিযোগ করেছে। তাই ইসির উচিত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা। একবার যদি আস্থা নষ্ট হয়, তাহলে ভালো ভোট প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে। তারা প্রশ্ন তুলছে নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে। নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করতে দেখা গেছে। প্রার্থীদের আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠলেও দুয়েকটি শোকজ নোটিশ ছাড়া বড় কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি ইসি। ভোট আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার শেষ ধাপে রয়েছে ইসি। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করার জন্য বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্যানেল প্রস্তুত করা হয়েছে। প্যানেলভুক্ত কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে ইসি। খুব শিগগিরই তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।
মনোনয়নপত্র দাখিল এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া থেকেই ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি ইসি। তাই আগামী ২১ জানুয়ারির পর যখন নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হবে, তখন কীভাবে ৩০০ আসনের প্রার্থীদের নজরদারির মধ্যে রাখবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা বাস্তবায়নে একটা সেল করা হয়েছে। তারপরও কিছু কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। আইনশঙ্খলার অবনতির মতো ঘটনাও ঘটেছে কোনো কোনো নির্বাচনী এলাকায়। এ নিয়ে খোদ নির্বাচন কমিশনও উদ্বিগ্ন। কিছু দিন আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটা বৈঠক হয়েছে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে। সেখানে বলা হয়েছে ভোট সামনে রেখে বিভিন্ন জায়গায় যেসব সেল, অর্থাৎ নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন কমিটি, সেগুলো ঠিকমতো কাজ করছে না। এ জন্য বিভিন্ন বাহিনীকে তৎপরত হতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ইসি শুধু কঠোর বার্তা দিলেই হবে না। মাঠ পর্যায়ে অবশ্যই বাস্তবায়ন দরকার। শুধু ভোটের দিন নিয়ে পরিকল্পনা নয়, নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ যেদিন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকেই প্রতিটি পদক্ষেপ পরিকল্পনা অনুযায়ী করা দরকার বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড বা সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ার অভিযোগ করেছে বড় দুটি দল। তা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের কিছু সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি। সম্প্রতি দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার সফর স্থগিত করেছেন। অথচ এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিচ্ছেন। প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু ইসি এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’ তা ছাড়া পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন ও প্রেরণ প্রক্রিয়ায় গুরুতর ত্রুটি রয়েছে বলেও জানান এই নেতা।
পাল্টা অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর। একই দিনে ইসিতে যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে সমতা রক্ষা করা হচ্ছে না। যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আর যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন না, তাদের হয়রানির জন্য জরিমানার নোটিশ দেওয়াসহ নানা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তাদের অভিযোগের কাগজের স্তূপ পড়ে থাকলেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দলীয় প্রধানদের প্রটোকল ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সমতা রক্ষা করা হচ্ছে না।
দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ইসি : আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট করতে ২০ জানুয়ারির মধ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পা করেছে ইসি। এ সময়ের মধ্যে পাঠানো হবে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালি ও ভোটার তালিকা; স্টেশনারি ও সুরক্ষা সংক্রান্ত মালামালের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সিল (অ্যারো মার্ক, অফিস সিল), গালা, স্ট্যাম্প প্যাড, সুই-সুতা, মোমবাতি, দিয়াশলাই, ক্যালকুলেটর। আর ফরম ও প্যাকেটের মধ্যে ফলাফল বিবরণী ফরম, প্রিসাইডিং অফিসারের ডায়েরি, ব্যালট পেপার হিসাব ফরম এবং প্রায় ২০ ধরনের খাম বা প্যাকেট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপারগুলো প্রতীক বরাদ্দের পর পাঠানো হবে। অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ছাপানো ও বিতরণের কাজ শুরু হবে।
জেলা পর্যায়ে পাঠানো এই ব্যালটগুলো কড়া নিরাপত্তায় রিটার্নিং অফিসারদের তত্ত্বাবধানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, পোস্টাল ব্যালটগুলো নিবন্ধনকারীদের স্ব স্ব ঠিকানায় পৌঁছে দিচ্ছে ইসি। এর মধ্যে জাতীয় সংসদের ব্যালট মুদ্রণ শুরু হবে চূড়ান্ত প্রার্থী ও প্রতীক বরাদ্দের পর।
ইসির নির্বাচনী শাখার সংশ্লিষ্টরা জানান, কুমিল্লা অঞ্চল দিয়ে প্রথমে গণভোটের ব্যালট পাঠানো শুরু করা হয়েছে। এরপর রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলে পাঠানো হয়। পর্যায়ক্রমে ঢাকাসহ সারাদেশে পাঠানো হবে। সরকারি তিনটি প্রিন্টিং প্রেসে (গর্ভমেন্ট প্রিন্টিং প্রেস, বিজি প্রেস ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস) এগুলো মুদ্রণ হচ্ছে। আগামী ২০ জানুয়ারি মধ্যে ব্যালট পেপার ছাড়া সব ধরনের নির্বাচনী মালামাল সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পৌঁছাবে। প্রতিটি পর্যায়ে ট্র্যাকিং সিস্টেম এবং সিসি ক্যামেরা নজরদারির মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
নির্বাচনী সামগ্রী জেলা, উপজেলায় পাঠানো হলে অবশ্যই সেখানে পাহারা বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে ড. আব্দুল আলীম বলেন, ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ যেসব সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে সেগুলোর জন্য কঠোর পাহারা নিশ্চিত করতে হবে। না হলে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।
নির্বাচন বিশ্লেষক ও রাজনীতিবিদদের মতে, ভালো নির্বাচন করতে হলে এখন থেকেই ইসির দক্ষতা দেখাতে হবে। সবার জন্য সমান নীতি অবলম্বন করে দুয়েকটি উদাহরণ দেখানো দরকার। এখন ঢালাওভাবে অবৈধ হওয়া মনোনয়নপত্র বৈধ করা হচ্ছে। প্রচারণা শুরু হলে ভোটের মাঠ আরও উত্তপ্ত হবে। তখন কীভাবে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, এখন থেকেই তার পরিকল্পনা থাকা দরকার।


























