চুয়াডাঙ্গা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় হতাহতের দাবি

Padma Sangbad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
কয়েক সপ্তাহের বিরতির পর ফের সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মঙ্গলবার দুই দেশের মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন আরও ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়েছে।

অন্যদিকে ইরান অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় পাঁচজন নিহত ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মঙ্গলবার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে এক দফা হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, সামুদ্রিক স্থাপনা, মাইন পাতা ও মাইন-সংক্রান্ত সক্ষমতা এবং যোগাযোগ অবকাঠামো। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন স্থানে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো ছিল হরমুজ প্রণালির আশপাশে। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে অনুমতি ছাড়া চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে ইরান হুমকি দিয়ে আসছিল।

জবাবে ইরানও জর্ডান ও ইরাকে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বাহরাইনেও হামলা চালানো হয়েছে। তবে আইআরজিসি জর্ডানে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার দাবি করলেও রয়টার্সকে দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক মূল্যায়নে সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করেছে। এর মধ্যে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয় এবং তিনটি প্রত্যন্ত এলাকায় পড়ে। বাহরাইনও জানিয়েছে, ইরানের ছোড়া ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

এদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় এরবিলে মার্কিন ঘাঁটিতে স্থলবাহিনীর সমন্বয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে কয়েকজন মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে তারা। তবে ইরাক বা যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এই দাবি নিশ্চিত করেনি।

মঙ্গলবারের পাল্টাপাল্টি হামলা জুলাইয়ের পর দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম বড় ধরনের সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষ হামলা থেকে বিরত থাকলেও নতুন করে আলোচনায় ফেরার আগ্রহও তেমন দেখা যায়নি।

এই বিরতির সময়ে যুদ্ধের কারণে উভয় পক্ষই চাপে পড়ে। ইরানের দুর্বল অর্থনীতি যুদ্ধের ধাক্কায় আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটির প্রচলিত সামরিক সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম বাড়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন। রয়টার্সের গত মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, মার্কিন সেনাবাহিনী তার বৈশ্বিক মজুতের উচ্চনির্ভুল দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বড় একটি অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। এতে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে নতুন করে সংঘাতের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে হরমুজ প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চল সিরিকের কাছে। ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, সেখানে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছেন।

ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চার বছরের একটি শিশুও রয়েছে। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এক প্রাদেশিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আহতের সংখ্যা ৬৮ বলে জানিয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি মার্কিন কর্মকর্তারা।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা এর আগে সংঘটিত বিভিন্ন হামলার ধারাবাহিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।

এ সময় তিনি যুদ্ধের প্রথম দিন মিনাবের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাও উল্লেখ করেন। ওই ঘটনায় ১৬০ জন নিহত হয়েছিল বলে ইরান জানিয়েছে।

মিনাবের ওই হামলা নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত-ফল প্রকাশ করেনি। তবে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুই সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, পুরোনো লক্ষ্য নির্ধারণের তথ্য ব্যবহারের কারণে হামলাটি হয়ে থাকতে পারে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব ঘটনার জবাব দৃঢ়ভাবে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে যারা এসব ঘটনার বিরুদ্ধে নীরব রয়েছে বা তা ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করছে, তাদেরও সতর্ক করেছে তেহরান।

ইরান বলেছে, আজ যারা নীরব থাকছে, আগামীকাল তারাও এর পরিণতি থেকে রেহাই পাবে না।

নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত আবারও বড় আকার নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।

আপডেট : ১০:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় হতাহতের দাবি

আপডেট : ১০:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
কয়েক সপ্তাহের বিরতির পর ফের সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মঙ্গলবার দুই দেশের মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন আরও ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়েছে।

অন্যদিকে ইরান অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় পাঁচজন নিহত ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মঙ্গলবার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে এক দফা হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, সামুদ্রিক স্থাপনা, মাইন পাতা ও মাইন-সংক্রান্ত সক্ষমতা এবং যোগাযোগ অবকাঠামো। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন স্থানে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো ছিল হরমুজ প্রণালির আশপাশে। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে অনুমতি ছাড়া চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে ইরান হুমকি দিয়ে আসছিল।

জবাবে ইরানও জর্ডান ও ইরাকে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বাহরাইনেও হামলা চালানো হয়েছে। তবে আইআরজিসি জর্ডানে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার দাবি করলেও রয়টার্সকে দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক মূল্যায়নে সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করেছে। এর মধ্যে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয় এবং তিনটি প্রত্যন্ত এলাকায় পড়ে। বাহরাইনও জানিয়েছে, ইরানের ছোড়া ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

এদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় এরবিলে মার্কিন ঘাঁটিতে স্থলবাহিনীর সমন্বয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে কয়েকজন মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে তারা। তবে ইরাক বা যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এই দাবি নিশ্চিত করেনি।

মঙ্গলবারের পাল্টাপাল্টি হামলা জুলাইয়ের পর দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম বড় ধরনের সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষ হামলা থেকে বিরত থাকলেও নতুন করে আলোচনায় ফেরার আগ্রহও তেমন দেখা যায়নি।

এই বিরতির সময়ে যুদ্ধের কারণে উভয় পক্ষই চাপে পড়ে। ইরানের দুর্বল অর্থনীতি যুদ্ধের ধাক্কায় আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটির প্রচলিত সামরিক সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম বাড়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন। রয়টার্সের গত মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, মার্কিন সেনাবাহিনী তার বৈশ্বিক মজুতের উচ্চনির্ভুল দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বড় একটি অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। এতে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে নতুন করে সংঘাতের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে হরমুজ প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চল সিরিকের কাছে। ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, সেখানে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছেন।

ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চার বছরের একটি শিশুও রয়েছে। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এক প্রাদেশিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আহতের সংখ্যা ৬৮ বলে জানিয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি মার্কিন কর্মকর্তারা।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা এর আগে সংঘটিত বিভিন্ন হামলার ধারাবাহিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।

এ সময় তিনি যুদ্ধের প্রথম দিন মিনাবের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাও উল্লেখ করেন। ওই ঘটনায় ১৬০ জন নিহত হয়েছিল বলে ইরান জানিয়েছে।

মিনাবের ওই হামলা নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত-ফল প্রকাশ করেনি। তবে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুই সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, পুরোনো লক্ষ্য নির্ধারণের তথ্য ব্যবহারের কারণে হামলাটি হয়ে থাকতে পারে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব ঘটনার জবাব দৃঢ়ভাবে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে যারা এসব ঘটনার বিরুদ্ধে নীরব রয়েছে বা তা ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করছে, তাদেরও সতর্ক করেছে তেহরান।

ইরান বলেছে, আজ যারা নীরব থাকছে, আগামীকাল তারাও এর পরিণতি থেকে রেহাই পাবে না।

নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত আবারও বড় আকার নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।