চুয়াডাঙ্গা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুটান চালু করল পণ্য পরিবহনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম

Padma Sangbad
৪২

অনলাইন ডেস্ক।।
ভুটান প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে আজ (২২ নভেম্বর) বাংলাদেশ সফরের প্রথম দিনেই এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

তিন দিনের এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম (২২ থেকে ২৪ নভেম্বর), চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৫ টন পণ্যের একটি চালান বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভুটানে পাঠানো হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি এই কার্যক্রম সফল হয়, তাহলে ভুটান নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের ৬৮৪ কিলোমিটার সড়কপথ ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে পারবে।

সরকারি গেজেট অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ২২ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করছেন এবং তাঁকে ভিভিআইপি প্রটোকল প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মার্চে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে ট্রাফিক-ইন-ট্রানজিট চুক্তি ও প্রটোকল সই হয়। গত এপ্রিলে ভুটানে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর দুটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে চুক্তিটি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত অক্টোবর মাসে ভুটান বাংলাদেশকে জানিয়েছে যে, থাইল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত ১৫ টন পণ্যের জন্য প্রথম পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই পণ্যের খালাস ও পরিবহনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মেসার্স অভি কার্গো কোম্পানিকে।

বাংলাদেশ ট্রানজিট সেবার বিনিময়ে বিভিন্ন ফি ও চার্জ নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- ডকুমেন্ট প্রসেসিং ফি: ৩০ টাকা, ট্রান্সশিপমেন্ট ফি: টনপ্রতি ২০ টাকা, নিরাপত্তা চার্জ: টনপ্রতি ১০০ টাকা, এসকর্ট ফি: কন্টেইনারপ্রতি কিলোমিটারে ৮৫ টাকা, প্রশাসনিক চার্জ: টনপ্রতি ১০০ টাকা, স্ক্যানিং ফি: কন্টেইনারপ্রতি ২৫৪ টাকা।

এছাড়া, সড়ক টোল ও করিডোর ব্যবহারের ফি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে।

আপডেট : ১২:২৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

ভুটান চালু করল পণ্য পরিবহনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম

আপডেট : ১২:২৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
৪২

অনলাইন ডেস্ক।।
ভুটান প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে আজ (২২ নভেম্বর) বাংলাদেশ সফরের প্রথম দিনেই এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

তিন দিনের এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম (২২ থেকে ২৪ নভেম্বর), চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৫ টন পণ্যের একটি চালান বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভুটানে পাঠানো হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি এই কার্যক্রম সফল হয়, তাহলে ভুটান নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের ৬৮৪ কিলোমিটার সড়কপথ ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে পারবে।

সরকারি গেজেট অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ২২ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করছেন এবং তাঁকে ভিভিআইপি প্রটোকল প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মার্চে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে ট্রাফিক-ইন-ট্রানজিট চুক্তি ও প্রটোকল সই হয়। গত এপ্রিলে ভুটানে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর দুটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে চুক্তিটি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত অক্টোবর মাসে ভুটান বাংলাদেশকে জানিয়েছে যে, থাইল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত ১৫ টন পণ্যের জন্য প্রথম পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই পণ্যের খালাস ও পরিবহনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মেসার্স অভি কার্গো কোম্পানিকে।

বাংলাদেশ ট্রানজিট সেবার বিনিময়ে বিভিন্ন ফি ও চার্জ নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- ডকুমেন্ট প্রসেসিং ফি: ৩০ টাকা, ট্রান্সশিপমেন্ট ফি: টনপ্রতি ২০ টাকা, নিরাপত্তা চার্জ: টনপ্রতি ১০০ টাকা, এসকর্ট ফি: কন্টেইনারপ্রতি কিলোমিটারে ৮৫ টাকা, প্রশাসনিক চার্জ: টনপ্রতি ১০০ টাকা, স্ক্যানিং ফি: কন্টেইনারপ্রতি ২৫৪ টাকা।

এছাড়া, সড়ক টোল ও করিডোর ব্যবহারের ফি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে।