চুয়াডাঙ্গা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মামলা বাণিজ্যে জড়ালে কাউকে ছাড় নয় : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

Padma Sangbad
৬৪

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, পুলিশের কেউ যদি মামলা বাণিজ্য বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হয়, তাহলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (১০ জুন) সকালে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বিভিন্ন পদমর্যাদার ৮৪ জনকে ইতিমধ্যে এটাচ করে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩০-৪০ জনকে আমি বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয়, আরও ৩০-৪০ জনকে বাড়ি পাঠাতে কুণ্ঠিত হবো না। দুর্নীতির প্রশ্নে কোনো আপস নয়।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দুর্নীতি। এটি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। যদি আমরা এই দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারতাম, তাহলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যেত। সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা সত্য কথা লেখুন, জনগণকে সচেতন করুন। তাহলেই পরিবর্তন সম্ভব।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পুলিশ বাহিনীর সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একটি পাইলট প্রকল্প চালু হয়েছে। এর মধ্যে মামলার গ্রহণ প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল করা হয়েছে। এখন ঘরে বসেই সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা যাচ্ছে, ফলে থানায় না গিয়েও আইনি সহায়তা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এতে হয়রানি অনেকটাই কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “আমরা রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাঁচের মতো স্বচ্ছ কক্ষ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি, যাতে বাইরের লোকজন দেখতে পারে আসামির সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করা হচ্ছে কি না। এতে রিমান্ড ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে।”

আপডেট : ১২:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

মামলা বাণিজ্যে জড়ালে কাউকে ছাড় নয় : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট : ১২:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
৬৪

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, পুলিশের কেউ যদি মামলা বাণিজ্য বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হয়, তাহলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (১০ জুন) সকালে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বিভিন্ন পদমর্যাদার ৮৪ জনকে ইতিমধ্যে এটাচ করে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩০-৪০ জনকে আমি বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয়, আরও ৩০-৪০ জনকে বাড়ি পাঠাতে কুণ্ঠিত হবো না। দুর্নীতির প্রশ্নে কোনো আপস নয়।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দুর্নীতি। এটি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। যদি আমরা এই দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারতাম, তাহলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যেত। সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা সত্য কথা লেখুন, জনগণকে সচেতন করুন। তাহলেই পরিবর্তন সম্ভব।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পুলিশ বাহিনীর সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একটি পাইলট প্রকল্প চালু হয়েছে। এর মধ্যে মামলার গ্রহণ প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল করা হয়েছে। এখন ঘরে বসেই সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা যাচ্ছে, ফলে থানায় না গিয়েও আইনি সহায়তা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এতে হয়রানি অনেকটাই কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “আমরা রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাঁচের মতো স্বচ্ছ কক্ষ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি, যাতে বাইরের লোকজন দেখতে পারে আসামির সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করা হচ্ছে কি না। এতে রিমান্ড ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে।”