চুয়াডাঙ্গা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের মধ্যেও যে কারণে ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারে টান পড়েনি।

Padma Sangbad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতিতে থমকে যায়নি ইরান। বরং যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ বাড়িয়েছে দেশটি। পাশাপাশি যুদ্ধের প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত ও অগ্রাধিকারভিত্তিক সরঞ্জামের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া বক্তব্যে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতার পাশাপাশি আগের বছরগুলোতে গড়ে তোলা কৌশলগত মজুত ব্যবহার করে যুদ্ধের মধ্যেও অস্ত্র উৎপাদন অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তালাই-নিকের দাবি, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এক বছরে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের বার্ষিক উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। এ সময়ে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের কয়েকটি প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনায় সীমিত হামলা হলেও তা উৎপাদন কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারেনি।

ইরানের ওই সামরিক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পর দেশটির প্রতিরক্ষা উৎপাদন শুধু অব্যাহতই থাকেনি, বরং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত ও অগ্রাধিকারভিত্তিক সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধের পরিস্থিতিতে সামরিক সরঞ্জামের দ্রুত প্রতিস্থাপন নিশ্চিত করতে ইরান উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আগে থেকে তৈরি কৌশলগত মজুতও কাজে লাগিয়েছে।

প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও সামরিক সক্ষমতার তথ্য গোপন রাখার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন রেজা তালাই-নিক। তার মতে, সম্ভাব্য দুর্বলতা প্রকাশ হয়ে গেলে শত্রুপক্ষ আকস্মিক হামলার সুযোগ নিতে পারে। এ কারণে সামরিক তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখা ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, গত দুই বছর ধরে ইরান প্রতিরক্ষা শিল্প দিবস উপলক্ষে কোনো সামরিক প্রদর্শনীর আয়োজন করেনি। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম প্রকাশ বা উন্মোচনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে দেশটি।

আপডেট : ০৩:৩৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

যুদ্ধের মধ্যেও যে কারণে ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারে টান পড়েনি।

আপডেট : ০৩:৩৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতিতে থমকে যায়নি ইরান। বরং যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ বাড়িয়েছে দেশটি। পাশাপাশি যুদ্ধের প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত ও অগ্রাধিকারভিত্তিক সরঞ্জামের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া বক্তব্যে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতার পাশাপাশি আগের বছরগুলোতে গড়ে তোলা কৌশলগত মজুত ব্যবহার করে যুদ্ধের মধ্যেও অস্ত্র উৎপাদন অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তালাই-নিকের দাবি, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এক বছরে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের বার্ষিক উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। এ সময়ে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের কয়েকটি প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনায় সীমিত হামলা হলেও তা উৎপাদন কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারেনি।

ইরানের ওই সামরিক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পর দেশটির প্রতিরক্ষা উৎপাদন শুধু অব্যাহতই থাকেনি, বরং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত ও অগ্রাধিকারভিত্তিক সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধের পরিস্থিতিতে সামরিক সরঞ্জামের দ্রুত প্রতিস্থাপন নিশ্চিত করতে ইরান উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আগে থেকে তৈরি কৌশলগত মজুতও কাজে লাগিয়েছে।

প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও সামরিক সক্ষমতার তথ্য গোপন রাখার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন রেজা তালাই-নিক। তার মতে, সম্ভাব্য দুর্বলতা প্রকাশ হয়ে গেলে শত্রুপক্ষ আকস্মিক হামলার সুযোগ নিতে পারে। এ কারণে সামরিক তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখা ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, গত দুই বছর ধরে ইরান প্রতিরক্ষা শিল্প দিবস উপলক্ষে কোনো সামরিক প্রদর্শনীর আয়োজন করেনি। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম প্রকাশ বা উন্মোচনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে দেশটি।