চুয়াডাঙ্গা ০২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২৫ সালের মধ্যে চাঁদে গাছ লাগানোর চেষ্টা বিজ্ঞানীদের

Padma Sangbad
১৪৩

২০২৫ সালের মধ্যে চাঁদে গাছ লাগানোর চেষ্টা শুরু করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা। শুক্রবার (৭ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির উদ্ভিদ জীববিজ্ঞানী ব্রেট উইলিয়ামস জানিয়েছেন, ইসরায়েলের বেসরকারি মহাকাশযান বেরেসিত-২ চাঁদের উদ্দেশে বীজ নিয়ে যেতে পারে।

তিনি জানান, মহাকাশ যানটি চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের পর বীজগুলো একটি বদ্ধ জায়গায় রেখে পানি দেওয়া হবে। এরপর এগুলোর অঙ্কুরোদ্‌গম এবং এর বিকাশ পর্যবেক্ষণ করা হবে। বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও কোন গাছ বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে এবং কত দ্রুত অঙ্কুরিত হতে পারে, তার ভিত্তিতে এই চন্দ্রাভিযানের জন্য উপযোগী গাছের বীজ বাছাই করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার এক প্রকারের দীর্ঘজীবী ঘাসকে এ ক্ষেত্রে বেছে নেওয়া হতে পারে। সুপ্ত অবস্থায় এ ঘাস পানি ছাড়াই দীর্ঘদিন বাঁচে।

অস্ট্রেলিয়া ও ইসরায়েলের বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে লুনারিয়া ওয়ান নামের একটি সংস্থার মাধ্যমে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। খবর ভয়েস অব আমেরিকার।

আপডেট : ১১:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২

২০২৫ সালের মধ্যে চাঁদে গাছ লাগানোর চেষ্টা বিজ্ঞানীদের

আপডেট : ১১:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২
১৪৩

২০২৫ সালের মধ্যে চাঁদে গাছ লাগানোর চেষ্টা শুরু করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা। শুক্রবার (৭ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির উদ্ভিদ জীববিজ্ঞানী ব্রেট উইলিয়ামস জানিয়েছেন, ইসরায়েলের বেসরকারি মহাকাশযান বেরেসিত-২ চাঁদের উদ্দেশে বীজ নিয়ে যেতে পারে।

তিনি জানান, মহাকাশ যানটি চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের পর বীজগুলো একটি বদ্ধ জায়গায় রেখে পানি দেওয়া হবে। এরপর এগুলোর অঙ্কুরোদ্‌গম এবং এর বিকাশ পর্যবেক্ষণ করা হবে। বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও কোন গাছ বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে এবং কত দ্রুত অঙ্কুরিত হতে পারে, তার ভিত্তিতে এই চন্দ্রাভিযানের জন্য উপযোগী গাছের বীজ বাছাই করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার এক প্রকারের দীর্ঘজীবী ঘাসকে এ ক্ষেত্রে বেছে নেওয়া হতে পারে। সুপ্ত অবস্থায় এ ঘাস পানি ছাড়াই দীর্ঘদিন বাঁচে।

অস্ট্রেলিয়া ও ইসরায়েলের বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে লুনারিয়া ওয়ান নামের একটি সংস্থার মাধ্যমে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। খবর ভয়েস অব আমেরিকার।