চুয়াডাঙ্গা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়ি ফিরল তুফান!

Padma Sangbad
১৪১

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মরদেহ দাফনের আড়াই মাস পর বাড়ি ফিরেছে তোফাজ্জল হোসেন তুফান (১৫) নামে এক কিশোর। স্থানীয়রা বিষয়টিকে অলৌকিক বললেও সন্তানকে পেয়ে আবেগে আপ্লুত ছেলেটির বাবা-মা।

শুক্রবার সকালে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদি ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরে তুফান। তার বাবার নাম আবু সাঈদ। তাকে এক নজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন গ্রামবাসী।

তুফানের বাবা আবু সাঈদ বলেন, প্রায় তিন মাস আগে তুফান বাড়ির কাউকে কিছু না বলে অজানার উদ্দেশে চলে যায়। আড়াই মাস আগে সংবাদ পান গাইবান্ধায় এক কিশোর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। ওই কিশোরের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের কয়েকজন মিলে গাইবান্ধায় যাই। মরদেহের সঙ্গে সবাই তুফানের চেহারার মিল পান। সেখানে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ আলমডাঙ্গায় গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে বৈদ্যনাথপুর গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

তুফান জানায়, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সে একাই কাজের সন্ধানে ঢাকার শ্যামলী এলাকায় চলে যায়। সেখানেই দিনমজুরের কাজ করত সে। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে ফিরেছে। এরপর জানতে পারে তার মত চেহারার একজনকে পরিবারের লোকজন মৃত ভেবে দাফন করেন।

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমিও শুনেছি। ছেলেটি আজ সকালে জীবিত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে এসেছে।

আপডেট : ০৪:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

বাড়ি ফিরল তুফান!

আপডেট : ০৪:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
১৪১

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মরদেহ দাফনের আড়াই মাস পর বাড়ি ফিরেছে তোফাজ্জল হোসেন তুফান (১৫) নামে এক কিশোর। স্থানীয়রা বিষয়টিকে অলৌকিক বললেও সন্তানকে পেয়ে আবেগে আপ্লুত ছেলেটির বাবা-মা।

শুক্রবার সকালে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদি ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরে তুফান। তার বাবার নাম আবু সাঈদ। তাকে এক নজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন গ্রামবাসী।

তুফানের বাবা আবু সাঈদ বলেন, প্রায় তিন মাস আগে তুফান বাড়ির কাউকে কিছু না বলে অজানার উদ্দেশে চলে যায়। আড়াই মাস আগে সংবাদ পান গাইবান্ধায় এক কিশোর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। ওই কিশোরের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের কয়েকজন মিলে গাইবান্ধায় যাই। মরদেহের সঙ্গে সবাই তুফানের চেহারার মিল পান। সেখানে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ আলমডাঙ্গায় গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে বৈদ্যনাথপুর গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

তুফান জানায়, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সে একাই কাজের সন্ধানে ঢাকার শ্যামলী এলাকায় চলে যায়। সেখানেই দিনমজুরের কাজ করত সে। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে ফিরেছে। এরপর জানতে পারে তার মত চেহারার একজনকে পরিবারের লোকজন মৃত ভেবে দাফন করেন।

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমিও শুনেছি। ছেলেটি আজ সকালে জীবিত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে এসেছে।