চুয়াডাঙ্গা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অকার্যকর স্থলবন্দরগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে

Padma Sangbad
১৭

দিনাজপুর প্রতিনিধি।।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, যেসব স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি প্রায় হয় না এবং লোকসানে চলছে, সেসব বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে। বর্তমানে দেশের ২৪টি স্থলবন্দরের মধ্যে ৮টি বন্দর বন্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে ৪টি বন্দর বন্ধ হয়েছে। কার্যকর বন্দর হিসেবে এখন রয়েছে মাত্র ১২ থেকে ১৪টি।

শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

নৌ পরিবহন উপদেষ্টা বলেন, এসব বন্দরকে আধুনিকায়ন করে কি হবে এক পয়সা যেখানে আয় নেই। সারা বছর যেখানে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয় অথচ খরচ তো হচ্ছে এর চেয়ে অনেক বেশি। যেগুলো কার্যকরী ও বড় বন্দর সেগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এ ছাড়া আরও কিছু নদীবন্দর রয়েছে এগুলোকেও আমরা এভাবে বেসরকারিখাতে পরিচালনার জন্য দেওয়ার চেষ্টা করছি।

তিনি বন্দরের সভাকক্ষে কাস্টমস বন্দর কতৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা বন্দরের রাস্তাঘাট সংস্কার, ওয়ারহাউজ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বন্দরের নানা জটিলতা তুলে ধরেন এবং উপদেষ্টার কাছে এসবের সমাধান চান। পরে তিনি বন্দর ও কাস্টমসের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন।

নৌ পরিবহ উপদেষ্টার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, কাস্টমসের রংপুর বিভাগীয় কমিশনার অরুন কুমার প্রমুখ।

আপডেট : ০১:৩৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

অকার্যকর স্থলবন্দরগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে

আপডেট : ০১:৩৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
১৭

দিনাজপুর প্রতিনিধি।।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, যেসব স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি প্রায় হয় না এবং লোকসানে চলছে, সেসব বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে। বর্তমানে দেশের ২৪টি স্থলবন্দরের মধ্যে ৮টি বন্দর বন্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে ৪টি বন্দর বন্ধ হয়েছে। কার্যকর বন্দর হিসেবে এখন রয়েছে মাত্র ১২ থেকে ১৪টি।

শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

নৌ পরিবহন উপদেষ্টা বলেন, এসব বন্দরকে আধুনিকায়ন করে কি হবে এক পয়সা যেখানে আয় নেই। সারা বছর যেখানে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয় অথচ খরচ তো হচ্ছে এর চেয়ে অনেক বেশি। যেগুলো কার্যকরী ও বড় বন্দর সেগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এ ছাড়া আরও কিছু নদীবন্দর রয়েছে এগুলোকেও আমরা এভাবে বেসরকারিখাতে পরিচালনার জন্য দেওয়ার চেষ্টা করছি।

তিনি বন্দরের সভাকক্ষে কাস্টমস বন্দর কতৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা বন্দরের রাস্তাঘাট সংস্কার, ওয়ারহাউজ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বন্দরের নানা জটিলতা তুলে ধরেন এবং উপদেষ্টার কাছে এসবের সমাধান চান। পরে তিনি বন্দর ও কাস্টমসের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন।

নৌ পরিবহ উপদেষ্টার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, কাস্টমসের রংপুর বিভাগীয় কমিশনার অরুন কুমার প্রমুখ।