চুয়াডাঙ্গা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘কিশোর গ্যাংয়ের’ প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সংসদে

Padma Sangbad
৭২

‘কিশোর গ্যাং’ ও তাদের প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে মুজিবুল হক এই দাবি জানান।

‘কিশোর গ্যাং প্রশ্রয় দেন ঢাকার ২১ কাউন্সিলর’ শিরোনামে আজ প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটির বড় অংশ জাতীয় সংসদে পড়ে শোনান মুজিবুল হক। তিনি প্রতিবেদনটি পড়ে শোনানোর এক পর্যায়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, পুরোটা পড়ার প্রয়োজন নেই। তখন মুজিবুল হক বলেন, তিনি এটা পড়েছেন এই কারণে যে ঢাকা শহরে মানুষের বসবাস করা কঠিন। এসব বাহিনী যারা চাঁদাবাজি করছে, লুটপাট করছে, মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে, তারা পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এবং কমিশনারদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব করছে।

যারা এসব কাজে জড়িত, সেটা সরকারি দলের হোক বা পুলিশের হোক, সারা দেশের মানুষ বিশেষ করে ঢাকা শহরের মানুষকে শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এদের বিরুদ্ধে একটা ‘ড্রাস্টিক অ্যাকশন’ নেওয়ার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন মুজিবুল হক। এ জন্য তিনি পরিকল্পনা করে এদের ধরপাকড় করে আইনের আওতায় আনাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এরপর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য খসরু চৌধুরীও কিশোর গ্যাং নিয়ে কথা বলেন। তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাসী, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজদের দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সরকারকে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।

আপডেট : ১১:২৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

‘কিশোর গ্যাংয়ের’ প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সংসদে

আপডেট : ১১:২৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
৭২

‘কিশোর গ্যাং’ ও তাদের প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে মুজিবুল হক এই দাবি জানান।

‘কিশোর গ্যাং প্রশ্রয় দেন ঢাকার ২১ কাউন্সিলর’ শিরোনামে আজ প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটির বড় অংশ জাতীয় সংসদে পড়ে শোনান মুজিবুল হক। তিনি প্রতিবেদনটি পড়ে শোনানোর এক পর্যায়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, পুরোটা পড়ার প্রয়োজন নেই। তখন মুজিবুল হক বলেন, তিনি এটা পড়েছেন এই কারণে যে ঢাকা শহরে মানুষের বসবাস করা কঠিন। এসব বাহিনী যারা চাঁদাবাজি করছে, লুটপাট করছে, মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে, তারা পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এবং কমিশনারদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব করছে।

যারা এসব কাজে জড়িত, সেটা সরকারি দলের হোক বা পুলিশের হোক, সারা দেশের মানুষ বিশেষ করে ঢাকা শহরের মানুষকে শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এদের বিরুদ্ধে একটা ‘ড্রাস্টিক অ্যাকশন’ নেওয়ার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন মুজিবুল হক। এ জন্য তিনি পরিকল্পনা করে এদের ধরপাকড় করে আইনের আওতায় আনাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এরপর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য খসরু চৌধুরীও কিশোর গ্যাং নিয়ে কথা বলেন। তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাসী, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজদের দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সরকারকে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।