দর্শনার রেলগেটের ময়লার স্তূপ সরাতে পৌরসভার তৎপরতা, স্বস্তি ফিরছে পথচারীদের

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।
দর্শনায় প্রবেশের অন্যতম ব্যস্ত পথ রেলগেট এলাকার সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু করেছে পৌর প্রশাসন। দুর্গন্ধ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে থাকা পথচারী, যাত্রী, মোটরসাইকেল চালক ও স্থানীয়দের মধ্যে এ উদ্যোগে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। সোমবার সকাল ১০ টার দিকে
দর্শনা আনোয়ারপুর রেলগেট এলাকায় সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ময়লার স্তূপ জমে থাকায় পুরো পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছিল। ময়লা পচে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় ওই পথ দিয়ে চলাচলকারীদের নাকে রুমাল দিয়ে রাস্তা পার হতে হতো। গরমের সময় দুর্গন্ধ আরও তীব্র হওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দর্শনায় প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানটি দীর্ঘদিন ধরে ময়লা ফেলার জায়গায় পরিণত হয়েছিল। নিয়মিত ময়লা অপসারণ না হওয়ায় দিন দিন আবর্জনার স্তূপ বড় হচ্ছিল। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছিল, অন্যদিকে দর্শনার প্রবেশমুখের সৌন্দর্যও নষ্ট হচ্ছিল।
বিষয়টি দর্শনা পৌর প্রশাসক ও দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহিন আলমের নজরে আসে। পরে তিনি পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর দ্রুত ময়লা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং ইতোমধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে।
পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগামী দুই দিনের মধ্যে ময়লার স্তূপ সম্পূর্ণ অপসারণ করে স্থানটি পরিষ্কার করার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় একাধিক পথচারী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ময়লার দুর্গন্ধে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা ছিল কষ্টকর। বিশেষ করে দুপুরের পর গরম বাড়লে দুর্গন্ধ আরও বেড়ে যেত। পৌর প্রশাসনের উদ্যোগে ময়লা অপসারণ শুরু হওয়ায় এখন তারা স্বস্তি পাচ্ছেন।
সচেতন মহল বলছে, শুধু ময়লা অপসারণ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ভবিষ্যতে যাতে কেউ সেখানে ময়লা ফেলতে না পারে, সেজন্য নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা, নজরদারি এবং প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
দর্শনা পৌর প্রশাসক ও দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহিন আলম বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে জায়গাটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করার চেষ্টা চলছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সচিব সাজেদুল আলম, করনির্ধারক জাহিদুল ইসলাম, প্রধান সহকারী শাহ আলম, হিসাবরক্ষক আরেফিন হোসেন ও কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর মমিনুল ইসলাম।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ময়লার স্তূপ অপসারণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ এলাকায় পুনরায় ময়লা জমতে না দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে দর্শনার প্রবেশমুখটি পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ ফিরে পাবে।।





















