চুয়াডাঙ্গা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনায় চুরি করা মালামালসহ যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

Padma Sangbad

দর্শনা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন শ্যামকুড় গ্রামে বসতবাড়িতে চুরির ঘটনায় মো. আয়নাল হক (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চোরাইকৃত বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ রাত সাড়ে ৭টার দিকে দর্শনা থানার শ্যামকুড় গ্রামের বাসিন্দা রুকিয়া বেগম (৫০)-এর বসতবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন চুরির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আয়নাল হককে আটক করে। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে পুলিশের হেফাজতে দেন।
পরবর্তীতে আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে চোরাইকৃত বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে—একটি ভেনাস সিলিং ফ্যান, দুইটি বিছানার চাদর, ৩২ পিসের একটি ডিনার সেট, ছয়টি স্টিলের খাবার প্লেট এবং একটি ২১ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশন। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মোট মূল্য ২৯ হাজার ৯০০ টাকা।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা শেষে আসামি মো. আয়নাল হক, পিতা—নুর মিয়া, মাতা—ফাহিমা বেগম, সাং—পুরাতন বাজার, থানা—দর্শনা, জেলা—চুয়াডাঙ্গাকে সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রমের জন্য বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত) আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত মো. আয়নাল হককে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম-এর তত্ত্বাবধানে দর্শনা থানার এসআই (নিঃ) মোস্তাফিজুর রহমান এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

আপডেট : ০৮:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

দর্শনায় চুরি করা মালামালসহ যুবক আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

আপডেট : ০৮:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

দর্শনা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন শ্যামকুড় গ্রামে বসতবাড়িতে চুরির ঘটনায় মো. আয়নাল হক (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চোরাইকৃত বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ রাত সাড়ে ৭টার দিকে দর্শনা থানার শ্যামকুড় গ্রামের বাসিন্দা রুকিয়া বেগম (৫০)-এর বসতবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন চুরির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আয়নাল হককে আটক করে। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে পুলিশের হেফাজতে দেন।
পরবর্তীতে আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে চোরাইকৃত বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে—একটি ভেনাস সিলিং ফ্যান, দুইটি বিছানার চাদর, ৩২ পিসের একটি ডিনার সেট, ছয়টি স্টিলের খাবার প্লেট এবং একটি ২১ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশন। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মোট মূল্য ২৯ হাজার ৯০০ টাকা।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা শেষে আসামি মো. আয়নাল হক, পিতা—নুর মিয়া, মাতা—ফাহিমা বেগম, সাং—পুরাতন বাজার, থানা—দর্শনা, জেলা—চুয়াডাঙ্গাকে সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রমের জন্য বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত) আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত মো. আয়নাল হককে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম-এর তত্ত্বাবধানে দর্শনা থানার এসআই (নিঃ) মোস্তাফিজুর রহমান এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।