চুয়াডাঙ্গা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার আকুতি শওকত আলীর

Padma Sangbad
৬৯

অনলাইন ডেস্ক।।
জীবনের চাকা ঘোরাতে ৩৪ বছর আগে পাকিস্তানে পাড়ি দিয়েছিলেন যশোরের শওকত আলী খোকন (৫০)। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সেই যাত্রাই আজ তার জন্য দীর্ঘ প্রবাস জীবনের শেকল হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি রয়েছেন পাকিস্তানের কুইজদার এলাকায়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ সালে যশোর শহরের সিভিল কোর্ট এলাকা থেকে কয়েকজন বন্ধু মিলে পাকিস্তানে যান শওকত আলী। এক বছর পর ১৯৯১ সালে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হয় তার। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ভালো নেই তিনি। এরপর থেকে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি সরাসরি। এ সময়ের মধ্যে তিনি হারিয়েছেন বাবা জয়নুল আবেদিন, বড় ভাই আবু বক্কর ও বোন ফাতেমাকে। কিন্তু তাদের মৃত্যু সংবাদে বাড়ি ফিরতে পারেননি শওকত।

বর্তমানে তিনি অবস্থান করছেন পাকিস্তানের কুইজদার এলাকায়, যা করাচি থেকে কুইটা শহরের পথে অবস্থিত। অন্যদিকে, জীবিত থেকেও ৩৪ বছর ধরে সন্তানের মুখ না দেখতে পেরে শোকে দিন কাটাচ্ছেন শওকতের বৃদ্ধা মা সখিনা বেগম।

শওকতের ছোট ভাই আব্দুল হাকিম জানান, নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে পাকিস্তান হাইকমিশনে শওকতের জন্ম নিবন্ধনের কপি পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো তেমন কোনো সাড়া মেলেনি। তার স্ত্রী শিরিনা বেগম বলেন, পরিবারে উপার্জনক্ষম লোক না থাকায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কোথায় গেলে সাহায্য মিলবে, তা নিয়েও তারা অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

এ অবস্থায় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শওকত আলীর পরিবার, যাতে তিনি দ্রুত দেশে ফিরতে পারেন এবং মায়ের সঙ্গে শেষ জীবনের সময়গুলো কাটাতে পারেন।

আপডেট : ০২:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার আকুতি শওকত আলীর

আপডেট : ০২:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬৯

অনলাইন ডেস্ক।।
জীবনের চাকা ঘোরাতে ৩৪ বছর আগে পাকিস্তানে পাড়ি দিয়েছিলেন যশোরের শওকত আলী খোকন (৫০)। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সেই যাত্রাই আজ তার জন্য দীর্ঘ প্রবাস জীবনের শেকল হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি রয়েছেন পাকিস্তানের কুইজদার এলাকায়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ সালে যশোর শহরের সিভিল কোর্ট এলাকা থেকে কয়েকজন বন্ধু মিলে পাকিস্তানে যান শওকত আলী। এক বছর পর ১৯৯১ সালে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হয় তার। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ভালো নেই তিনি। এরপর থেকে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি সরাসরি। এ সময়ের মধ্যে তিনি হারিয়েছেন বাবা জয়নুল আবেদিন, বড় ভাই আবু বক্কর ও বোন ফাতেমাকে। কিন্তু তাদের মৃত্যু সংবাদে বাড়ি ফিরতে পারেননি শওকত।

বর্তমানে তিনি অবস্থান করছেন পাকিস্তানের কুইজদার এলাকায়, যা করাচি থেকে কুইটা শহরের পথে অবস্থিত। অন্যদিকে, জীবিত থেকেও ৩৪ বছর ধরে সন্তানের মুখ না দেখতে পেরে শোকে দিন কাটাচ্ছেন শওকতের বৃদ্ধা মা সখিনা বেগম।

শওকতের ছোট ভাই আব্দুল হাকিম জানান, নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে পাকিস্তান হাইকমিশনে শওকতের জন্ম নিবন্ধনের কপি পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো তেমন কোনো সাড়া মেলেনি। তার স্ত্রী শিরিনা বেগম বলেন, পরিবারে উপার্জনক্ষম লোক না থাকায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কোথায় গেলে সাহায্য মিলবে, তা নিয়েও তারা অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

এ অবস্থায় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শওকত আলীর পরিবার, যাতে তিনি দ্রুত দেশে ফিরতে পারেন এবং মায়ের সঙ্গে শেষ জীবনের সময়গুলো কাটাতে পারেন।