চুয়াডাঙ্গা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদায়ী বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

Padma Sangbad
১৫

অনলাইন ডেস্ক।।
বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদলেন দলের সদ্য বিদায়ী মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান, কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল। এতে সভায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রীও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। আজ বুধবার দুুপুেরে জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে সভায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এ সময় মির্জা ফখরুল আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। একই সভায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান মির্জা ফখরুলকে ভোট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলে কোনো ধরনের বিভেদ না রাখার বার্তা দেন।

সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা ফখরুল। একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ভুল-ভ্রান্তি হয়ে থাকলে সহকর্মীদের কাছে ক্ষমা চান তিনি। একই সঙ্গে জীবন দিয়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং দলের দেওয়া সম্মান রক্ষার অঙ্গীকার করেন। বঙ্গভবনে যাওয়ার পর দলীয় এই আবহের অভাব বোধ করবেন উল্লেখ করে সবার কাছে দোয়া চান তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলামের দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বহু বছর ধরে তিনি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের দুঃসময়ে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি দলের হাল ধরেছেন, কখনো হাল ছাড়েননি, তাঁকে কারাবন্দীও করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই সময়ে তাকে (তারেক রহমান) দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে।

আপডেট : ০১:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

বিদায়ী বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

আপডেট : ০১:৩০:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
১৫

অনলাইন ডেস্ক।।
বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদলেন দলের সদ্য বিদায়ী মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান, কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল। এতে সভায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রীও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। আজ বুধবার দুুপুেরে জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে সভায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এ সময় মির্জা ফখরুল আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। একই সভায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান মির্জা ফখরুলকে ভোট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলে কোনো ধরনের বিভেদ না রাখার বার্তা দেন।

সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা ফখরুল। একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ভুল-ভ্রান্তি হয়ে থাকলে সহকর্মীদের কাছে ক্ষমা চান তিনি। একই সঙ্গে জীবন দিয়ে হলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং দলের দেওয়া সম্মান রক্ষার অঙ্গীকার করেন। বঙ্গভবনে যাওয়ার পর দলীয় এই আবহের অভাব বোধ করবেন উল্লেখ করে সবার কাছে দোয়া চান তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলামের দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বহু বছর ধরে তিনি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের দুঃসময়ে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি দলের হাল ধরেছেন, কখনো হাল ছাড়েননি, তাঁকে কারাবন্দীও করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই সময়ে তাকে (তারেক রহমান) দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে।