চুয়াডাঙ্গা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশাল ব্যবধানে জিতলেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন

Padma Sangbad
১২১

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ১১০টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বেসরকারিভাবে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান (রাসেল) বেসরকারিভাবে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী এই আসনে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ১ শত ৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ড. এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‘আমার এই বিজয় মূলত কচুয়াবাসীর বিজয়। আপনারা আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন, তার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ। এই জয় আমি আমার প্রিয় কচুয়াবাসীকে উৎসর্গ করলাম।’

ফলাফল ঘোষণার সময় উপজেলা চত্বরে হাজারো সমর্থকদের উল্লাস করতে দেখা যায়। সাধারণ ভোটারদের মতে, উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রতি আস্থা রেখেই তারা মিলনকে পুনরায় নির্বাচিত করেছেন।​ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

আপডেট : ১১:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশাল ব্যবধানে জিতলেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন

আপডেট : ১১:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১২১

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ১১০টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বেসরকারিভাবে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান (রাসেল) বেসরকারিভাবে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী এই আসনে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ১ শত ৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ড. এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‘আমার এই বিজয় মূলত কচুয়াবাসীর বিজয়। আপনারা আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন, তার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ। এই জয় আমি আমার প্রিয় কচুয়াবাসীকে উৎসর্গ করলাম।’

ফলাফল ঘোষণার সময় উপজেলা চত্বরে হাজারো সমর্থকদের উল্লাস করতে দেখা যায়। সাধারণ ভোটারদের মতে, উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রতি আস্থা রেখেই তারা মিলনকে পুনরায় নির্বাচিত করেছেন।​ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।