চুয়াডাঙ্গা ০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাজিপুরে তালাকপ্রাপ্ত নারীর বাড়ী বেদখলের চেষ্টা, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

Padma Sangbad
১০৯

নিজস্ব প্রতিবেদক।
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মাইজড়ী ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের বাদশা মিয়ার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী রেহেনা বেগমের (৩৫) বাড়ী বেদখল করে রেগেছে প্রতিপক্ষ মকবুল গংরা ৷

সরেজমিন শনিবার সকালে গিয়ে জানা গেছে, গত প্রায় ৩০ বছর পূর্বে তালাক প্রাপ্ত রেহেনা বেগমের শশুর- মতিয়ার রহমান একই গ্রামের মৃত রফাত শেখের পুত্র মৃত পলু শেখের নিকট থেকে রেওয়াজ মূলে ৩৩ শতক জমি দলিল করে নেন ৷ পরবর্তিতে সেখানে বসত বাড়ী নির্মান করে বসবাস করে আসছিলেন ৷ অভাব অভিযোগের কারনে ওই জমির অর্ধেক – (১৬.৫ ) বিক্রি করে দেন শশুর মাতিয়ার রহমান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় – গত ৮ মাস পূর্বে ওই জমিতে জোরপূর্বক দখল নেওয়ার জন্য দুটি টিনের ঘর উঠায় প্রতিপক্ষ মকবুল গংরা ৷
আরও পড়ুন : “শোকাভিভূত “
দখলকৃত উঠানো ওই ঘরে বর্তমান রেহেনা বেগম তাঁর ৩ কন্যা সহ বসবাস করে আসছেন ৷ রেহেনা বেগমের অভিযোগ, দলিল মূলে জমি তার শশুরের হলেও জবর দখল করে প্রতিপক্ষ তাকে উচ্ছেদের অপচেষ্টা করে যাচ্ছেন। হত দরিদ্র রেহেনা বেগমের বাড়ীতে প্রতিপক্ষরা প্রায়ই দখল নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন ৷

রেহেনা বেগম বলেন, আমার তিন কন্যা সন্তান নিয়ে এই বাড়িতেই বসবাস করতেছি। যদি আমাদের অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করে দেয় তাহলে কোথায় গিয়ে উঠবো। সন্তানাদি নিয়ে এমনিতেই মানবেতর জীবনযাপন করতেছি। এমন অবস্থায় আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমি বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। আমাকে প্রতিদিন মারধর করতে আসে তারা।

আপডেট : ১০:৪২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩

কাজিপুরে তালাকপ্রাপ্ত নারীর বাড়ী বেদখলের চেষ্টা, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

আপডেট : ১০:৪২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩
১০৯

নিজস্ব প্রতিবেদক।
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মাইজড়ী ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের বাদশা মিয়ার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী রেহেনা বেগমের (৩৫) বাড়ী বেদখল করে রেগেছে প্রতিপক্ষ মকবুল গংরা ৷

সরেজমিন শনিবার সকালে গিয়ে জানা গেছে, গত প্রায় ৩০ বছর পূর্বে তালাক প্রাপ্ত রেহেনা বেগমের শশুর- মতিয়ার রহমান একই গ্রামের মৃত রফাত শেখের পুত্র মৃত পলু শেখের নিকট থেকে রেওয়াজ মূলে ৩৩ শতক জমি দলিল করে নেন ৷ পরবর্তিতে সেখানে বসত বাড়ী নির্মান করে বসবাস করে আসছিলেন ৷ অভাব অভিযোগের কারনে ওই জমির অর্ধেক – (১৬.৫ ) বিক্রি করে দেন শশুর মাতিয়ার রহমান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় – গত ৮ মাস পূর্বে ওই জমিতে জোরপূর্বক দখল নেওয়ার জন্য দুটি টিনের ঘর উঠায় প্রতিপক্ষ মকবুল গংরা ৷
আরও পড়ুন : “শোকাভিভূত “
দখলকৃত উঠানো ওই ঘরে বর্তমান রেহেনা বেগম তাঁর ৩ কন্যা সহ বসবাস করে আসছেন ৷ রেহেনা বেগমের অভিযোগ, দলিল মূলে জমি তার শশুরের হলেও জবর দখল করে প্রতিপক্ষ তাকে উচ্ছেদের অপচেষ্টা করে যাচ্ছেন। হত দরিদ্র রেহেনা বেগমের বাড়ীতে প্রতিপক্ষরা প্রায়ই দখল নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন ৷

রেহেনা বেগম বলেন, আমার তিন কন্যা সন্তান নিয়ে এই বাড়িতেই বসবাস করতেছি। যদি আমাদের অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করে দেয় তাহলে কোথায় গিয়ে উঠবো। সন্তানাদি নিয়ে এমনিতেই মানবেতর জীবনযাপন করতেছি। এমন অবস্থায় আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমি বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। আমাকে প্রতিদিন মারধর করতে আসে তারা।