চুয়াডাঙ্গা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিউটির সময় বাস থামিয়ে নামাজ আদায়, চালকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

Padma Sangbad
৪৬

একটি সরকারি বাসের চালক ডিউটির সময় বাস থামিয়ে নামাজ আদায় করায় তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য ​কর্ণাটকের হাবেরি জেলায়। বুধবার রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য ​কর্ণাটকের হাবেরি জেলার একটি সরকারি বাসের চালক ডিউটির সময় বাস থামিয়ে নামাজ আদায়ের ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মূলত নামাজ আদায়ের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং কর্তৃপক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেয়।
গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় হাব্বালি-হাবেরি মহাসড়কে জাভেরি এলাকার কাছে ওই বাসচালক বাস দাঁড় করিয়ে নামাজ আদায় করেন। হাঙ্গাল থেকে বিশালগড়গামী কর্ণাটক স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (কেএসআরটিসি) একটি বাসের চালক ও কন্ডাক্টর এ কে মুল্লা বাসটি রাস্তার পাশে থামিয়ে যাত্রীদের সামনে বসে নামাজ আদায় করেন।
এই সময় বাসে যাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন এবং কেউ কেউ মোবাইলে নামাজ আদায়ের ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।​
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর কর্ণাটকের পরিবহন মন্ত্রী রামালিঙ্গা রেড্ডি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেন। তিনি নর্থ ওয়েস্ট কর্ণাটক রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (এনডব্লিউকেআরটিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি লিখে অবিলম্বে তদন্তের নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, “সরকারি কর্মচারীদের অবশ্যই নির্ধারিত নিয়ম ও শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। যদিও প্রত্যেকের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে, তবে তা অফিস সময়ের মধ্যে সরকারি দায়িত্ব পালনের ব্যাঘাত ঘটিয়ে করা উচিত নয়।”
তিনি আরও বলেন, “বাস থামিয়ে ব্যক্তিগত কারণে নামাজ আদায় করা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবার মানের সঙ্গে আপস করে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।”
এনডব্লিউকেআরটিসি-এর হাবেরি ডিভিশনের ট্রাফিক অফিসার আশোক পাটিল জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কন্ডাক্টর হাদিমানির বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে ঘটনার বিস্তারিত জানা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন ২-৩ দিনের মধ্যে জমা দেওয়া হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে চালকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপডেট : ১১:০১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

ডিউটির সময় বাস থামিয়ে নামাজ আদায়, চালকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

আপডেট : ১১:০১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
৪৬

একটি সরকারি বাসের চালক ডিউটির সময় বাস থামিয়ে নামাজ আদায় করায় তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য ​কর্ণাটকের হাবেরি জেলায়। বুধবার রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য ​কর্ণাটকের হাবেরি জেলার একটি সরকারি বাসের চালক ডিউটির সময় বাস থামিয়ে নামাজ আদায়ের ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মূলত নামাজ আদায়ের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং কর্তৃপক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেয়।
গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় হাব্বালি-হাবেরি মহাসড়কে জাভেরি এলাকার কাছে ওই বাসচালক বাস দাঁড় করিয়ে নামাজ আদায় করেন। হাঙ্গাল থেকে বিশালগড়গামী কর্ণাটক স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (কেএসআরটিসি) একটি বাসের চালক ও কন্ডাক্টর এ কে মুল্লা বাসটি রাস্তার পাশে থামিয়ে যাত্রীদের সামনে বসে নামাজ আদায় করেন।
এই সময় বাসে যাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন এবং কেউ কেউ মোবাইলে নামাজ আদায়ের ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।​
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর কর্ণাটকের পরিবহন মন্ত্রী রামালিঙ্গা রেড্ডি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেন। তিনি নর্থ ওয়েস্ট কর্ণাটক রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (এনডব্লিউকেআরটিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি লিখে অবিলম্বে তদন্তের নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, “সরকারি কর্মচারীদের অবশ্যই নির্ধারিত নিয়ম ও শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। যদিও প্রত্যেকের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে, তবে তা অফিস সময়ের মধ্যে সরকারি দায়িত্ব পালনের ব্যাঘাত ঘটিয়ে করা উচিত নয়।”
তিনি আরও বলেন, “বাস থামিয়ে ব্যক্তিগত কারণে নামাজ আদায় করা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবার মানের সঙ্গে আপস করে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।”
এনডব্লিউকেআরটিসি-এর হাবেরি ডিভিশনের ট্রাফিক অফিসার আশোক পাটিল জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কন্ডাক্টর হাদিমানির বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে ঘটনার বিস্তারিত জানা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন ২-৩ দিনের মধ্যে জমা দেওয়া হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে চালকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।