চুয়াডাঙ্গা ০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনায় দুদিনব্যাপী ঝাঁপান খেলা ও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে

Padma Sangbad
১০২

অনলাইন ডেস্ক।।
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় শুরু হয়েছে দুদিনব্যাপী ঝাঁপান খেলা ও গ্রামীণ মেলা। করোনায় দীর্ঘদিন বাড়িতে থেকে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষগুলো এমন আয়োজনে উপভোগ করেন নির্মল আনন্দ। ঢোল বাঁশি বাজিয়ে বাদ্যের তালে তালে সাপ ও সাপুড়ের নৃত্য গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঝাঁপান খেলা নামে পরিচিত।

মনসা পূজা উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার কালিদাশপুর এলাকায় শুরু বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শুরু হয় দুদিনব্যাপী ঝাঁপান খেলা ও গ্রামীণ মেলা। যা দেখতে ভীড় করেন নারী-পুরুষসহ সব বয়সী মানুষ। মেলার মাঠে নাগরদোলা ও রাইডে চড়ে উচ্ছ্বাসে মাতে শিশুরা।গ্রামবাসীরা বলেন, ‘খেলার সাথে সাথে অন্যান্য খেলা যেমন সাপ খেলা, বিভিন্ন লোকজন এসে দর্শকরা এটা উপভোগ করছে। মেলা হয়, সবাই আসে, পূজো দেখে। সরকারের কাছে আমাদের আকুল নিবেদন যে, প্রতিটি বছর যেন পূজাটা আমরা এভাবে উদযাপন করতে পারি।’

বিনোদনের খোরাক মেটাতে এমন আয়োজন আবারো করার কথা জানালেন আয়োজকরা।নাগরদোলার মাধ্যমে শিশুদের জন্য একটা মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।’চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কালিদাসপুরের স্থানীয়রা আরও জানান , এই পূজা ও মেলা আমরা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছি।কালিদাসপুর পূজা মন্দির কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত চলে ।

আপডেট : ০১:১৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

দর্শনায় দুদিনব্যাপী ঝাঁপান খেলা ও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে

আপডেট : ০১:১৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
১০২

অনলাইন ডেস্ক।।
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় শুরু হয়েছে দুদিনব্যাপী ঝাঁপান খেলা ও গ্রামীণ মেলা। করোনায় দীর্ঘদিন বাড়িতে থেকে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষগুলো এমন আয়োজনে উপভোগ করেন নির্মল আনন্দ। ঢোল বাঁশি বাজিয়ে বাদ্যের তালে তালে সাপ ও সাপুড়ের নৃত্য গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঝাঁপান খেলা নামে পরিচিত।

মনসা পূজা উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার কালিদাশপুর এলাকায় শুরু বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শুরু হয় দুদিনব্যাপী ঝাঁপান খেলা ও গ্রামীণ মেলা। যা দেখতে ভীড় করেন নারী-পুরুষসহ সব বয়সী মানুষ। মেলার মাঠে নাগরদোলা ও রাইডে চড়ে উচ্ছ্বাসে মাতে শিশুরা।গ্রামবাসীরা বলেন, ‘খেলার সাথে সাথে অন্যান্য খেলা যেমন সাপ খেলা, বিভিন্ন লোকজন এসে দর্শকরা এটা উপভোগ করছে। মেলা হয়, সবাই আসে, পূজো দেখে। সরকারের কাছে আমাদের আকুল নিবেদন যে, প্রতিটি বছর যেন পূজাটা আমরা এভাবে উদযাপন করতে পারি।’

বিনোদনের খোরাক মেটাতে এমন আয়োজন আবারো করার কথা জানালেন আয়োজকরা।নাগরদোলার মাধ্যমে শিশুদের জন্য একটা মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।’চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কালিদাসপুরের স্থানীয়রা আরও জানান , এই পূজা ও মেলা আমরা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছি।কালিদাসপুর পূজা মন্দির কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত চলে ।