নেই বাংলাদেশি পর্যটক, পেশা ছাড়ছেন কলকাতার রিকশাচালকরা

বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক টানাপোড়েনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভারতের পর্যটন খাত।যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের ‘মিনি বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত
মারকুইস স্ট্রিট এলাকায়। এখানকার বাণিজ্য অনেকটাই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশি পর্যটকদের কেন্দ্র করে। সেখানকার হোটেল-রেস্তোরাঁতো বটেই, জীবিকার হুমকিতে পড়েছেন রিকশাচালকরাও। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত তিন মাসে সেখানকার রিকশাচালকদের আয় কমে গেছে ৭৫ শতাংশ। তাদের অনেকে রিকশা ছেড়ে দিয়ে নতুন জীবিকার পথ বেছে নিয়েছেন।
কয়েকমাস আগেও এখানকার রাস্তায় রিকশায় বাংলাদেশ পর্যটকদের চলাচল খুবই নিয়মিত দৃশ্য ছিল। কিন্তু আগস্টের পর সেই চিত্র পাল্টে গেছে। জরুরি চিকিৎসার কারণ ছাড়া কেউ ভারতে যাচ্ছেন না।
প্রসেনজিৎ সাহা নামে এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা সারাবছরই বাংলাদেশি পর্যটকদের নিয়ে ঘুরি। ঈদ, পূজা কিংবা বিয়ের মৌসুমে এই সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু গত তিন মাসে এই ধরনের পর্যটক নেই বললেই চলে।’
রফিক নামে আরেক রিকশাচালক বলেন, ‘চারমাস আগেও আমি প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ রুপি আয় করতাম। এখন সেই আয় ২০০ রুপি। পর্যটকের সংখ্যা এত কম যে দিনে ২০০-২৫০ রুপি আয় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, যারা চিকিৎসার জন্য যান, তারা সাধারণত ঘুরতে বের হন না। ফলে খুব বেশি আয় হচ্ছে না রিকশাচালকদের। সেজন্য অনেক রিকশাচালক পেশা পাল্টাতে বাধ্য হচ্ছেন। এমনই একজন ভারতীয় সাজ্জাক। তিনি জানান, ছয় বছর ধরে তিনি ওই এলাকায় রিকশা চালান। কিন্তু এখন অন্য ব্যবসা খুঁজতে হচ্ছে তার।

























