চুয়াডাঙ্গা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাগলা মসজিদে দানের রেকর্ড, বাক্সে মিলল ৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা

Padma Sangbad
৪০

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার ৯ কোটি ১৭ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া গেছে। এটি স্মরণকালের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া দানবাক্সে মিলেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।

আজ শনিবার মসজিদের ১০টি দানবাক্স এবং একটি অতিরিক্ত ট্রাংক খোলা হয়। এতে মোট ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া যায়।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাগলা মসজিদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান।

এর আগে আজ সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মোস্তাক, মসজিদ কমিটির সদস্য সচিব ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ মিয়াসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ দান বাক্স খোলা হয়।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে দানবাক্সে পাওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা প্রথমে এক এক করে ২৮টি বস্তায় ভরা হয়। পরে টাকার বস্তাগুলোকে পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার-এর তত্ত্বাবধানে পাগলা মসজিদ মাদ্রাসা, জামিয়া ইমদাদিয়া, রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার প্রায় সাড়ে ৩ শত ছাত্র-কর্মকর্তা কর্মচারীরা এই টাকা-পয়সা গণনার কাজ শুরু করেন। বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে গণনার কাজ শেষ হয়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানিয়েছেন, বর্তমানে পাগলা মসজিদের ব্যাংক হিসাবে ৮০ কোটি ৭৫ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা রয়েছে। এই টাকা দিয়ে একটি আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত মসজিদ কমপ্লেক্সের কাজ যথাশীঘ্র সম্ভব শুরু করা হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে গতবছরের ৩০ নভেম্বর উল্লেখিত পরিমাণ দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ২৯ বস্তা টাকা ও স্বর্ণ-রুপাসহ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। সেসময় ২৯ বস্তা থেকে পাওয়া গিয়েছিল ৮ কোটি ২১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা। পাগলা মসজিদ নির্মাণের পর থেকে এবার সবচেয়ে বেশি টাকা পাওয়া গেল মসজিদের সংরক্ষিত দানবাক্সে।

আপডেট : ১১:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫

পাগলা মসজিদে দানের রেকর্ড, বাক্সে মিলল ৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা

আপডেট : ১১:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫
৪০

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার ৯ কোটি ১৭ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া গেছে। এটি স্মরণকালের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া দানবাক্সে মিলেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।

আজ শনিবার মসজিদের ১০টি দানবাক্স এবং একটি অতিরিক্ত ট্রাংক খোলা হয়। এতে মোট ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া যায়।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাগলা মসজিদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান।

এর আগে আজ সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মোস্তাক, মসজিদ কমিটির সদস্য সচিব ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ মিয়াসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ দান বাক্স খোলা হয়।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে দানবাক্সে পাওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা প্রথমে এক এক করে ২৮টি বস্তায় ভরা হয়। পরে টাকার বস্তাগুলোকে পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার-এর তত্ত্বাবধানে পাগলা মসজিদ মাদ্রাসা, জামিয়া ইমদাদিয়া, রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার প্রায় সাড়ে ৩ শত ছাত্র-কর্মকর্তা কর্মচারীরা এই টাকা-পয়সা গণনার কাজ শুরু করেন। বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে গণনার কাজ শেষ হয়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানিয়েছেন, বর্তমানে পাগলা মসজিদের ব্যাংক হিসাবে ৮০ কোটি ৭৫ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা রয়েছে। এই টাকা দিয়ে একটি আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত মসজিদ কমপ্লেক্সের কাজ যথাশীঘ্র সম্ভব শুরু করা হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে গতবছরের ৩০ নভেম্বর উল্লেখিত পরিমাণ দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ২৯ বস্তা টাকা ও স্বর্ণ-রুপাসহ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। সেসময় ২৯ বস্তা থেকে পাওয়া গিয়েছিল ৮ কোটি ২১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা। পাগলা মসজিদ নির্মাণের পর থেকে এবার সবচেয়ে বেশি টাকা পাওয়া গেল মসজিদের সংরক্ষিত দানবাক্সে।