চুয়াডাঙ্গা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে এক পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

Padma Sangbad
১৪

বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় নিজ ঘর থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার উপজেলার চান্দেরকোলা (বিলকান্দি) গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃতরা হলেন চান্দেরকোলা গ্রামের আবদার হাওলাদারের ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৪), তার মা মনিরা বেগম (৪৫) এবং নানি রাশিদা বেগম (৭০)। রাশিদা বেগম বাগেরহাট সদরের বিষ্টিপুর এলাকার মৃত ডা. রশিদের স্ত্রী এবং তিনি মেয়ের বাড়িতে নাতি-মেয়ের কাছে থাকতেন।

ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও হাত বাঁধা অবস্থায় মরদেহ তিনটি পাওয়ায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী ও পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের জানা যায়, আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রতিবেশীরা তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ডাকার জন্য ঘরের সামনে যান। তখন তারা দেখতে পান ঘরের বাইরের দরজায় ছিটকানি লাগানো। পরে বাইরে থেকে ছিটকানি খুলে ভেতরে প্রবেশ করতেই রক্তাক্ত ও হাত বাঁধা অবস্থায় তাদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। নিহত আহাদ হাওলাদারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অপরদিকে মনিরা বেগম ও তার বৃদ্ধা মা রাশিদা বেগমকে হাত বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, ‘লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ কারণে প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি দুই থেকে তিন দিন আগে ঘটে থাকতে পারে বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বাড়িতে লোকজনের আসা-যাওয়া না থাকায় বিষয়টি এতদিন কারও নজরে আসেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে লাশের ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।’

আপডেট : ০৮:১৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

বাগেরহাটে এক পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

আপডেট : ০৮:১৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
১৪

বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় নিজ ঘর থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার উপজেলার চান্দেরকোলা (বিলকান্দি) গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃতরা হলেন চান্দেরকোলা গ্রামের আবদার হাওলাদারের ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৪), তার মা মনিরা বেগম (৪৫) এবং নানি রাশিদা বেগম (৭০)। রাশিদা বেগম বাগেরহাট সদরের বিষ্টিপুর এলাকার মৃত ডা. রশিদের স্ত্রী এবং তিনি মেয়ের বাড়িতে নাতি-মেয়ের কাছে থাকতেন।

ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও হাত বাঁধা অবস্থায় মরদেহ তিনটি পাওয়ায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী ও পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের জানা যায়, আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রতিবেশীরা তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ডাকার জন্য ঘরের সামনে যান। তখন তারা দেখতে পান ঘরের বাইরের দরজায় ছিটকানি লাগানো। পরে বাইরে থেকে ছিটকানি খুলে ভেতরে প্রবেশ করতেই রক্তাক্ত ও হাত বাঁধা অবস্থায় তাদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। নিহত আহাদ হাওলাদারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অপরদিকে মনিরা বেগম ও তার বৃদ্ধা মা রাশিদা বেগমকে হাত বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, ‘লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ কারণে প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি দুই থেকে তিন দিন আগে ঘটে থাকতে পারে বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বাড়িতে লোকজনের আসা-যাওয়া না থাকায় বিষয়টি এতদিন কারও নজরে আসেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে লাশের ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।’