চুয়াডাঙ্গা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামীকে হত্যার পর প্রেমিকের সঙ্গে একই কারাগারে থাকতে চান প্রেমিকা

Padma Sangbad
১০২

প্রেমিকে সাথে নিয়ে স্বামীকে নির্মমভাবে হত্যার পর একই কারাগারে থাকার আবেদন জানিয়েছেন প্রেমিকা। তবে আদালত তার এই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরে।

পুলিশ সূত্রে দেশটির গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ২০১৬ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেন মুসকান ও সাবেক নৌ কর্মকর্তা সৌরভ রাজপুত। তাদের ছয় বছরের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। তবে বিয়ের পর থেকেই সৌরভের পরিবারের সঙ্গে মুসকানের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর ফলে সৌরভ স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় ওঠেন। ২০১৯ সালে মুসকান ও তার বন্ধু সাহিলের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন সৌরভ। এর প্রেক্ষিতে তিনি বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলেও মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। সৌরভ সাবেক নৌ কর্মকর্তা ছিলেন। সম্পর্কের অবনতির দুই বছর পর তিনি ২ বছর লন্ডনে চলে যান। এরপর সম্প্রতি মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে দেশে ফিরে আসেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মুসকান তার স্বামীর ওপর মাদক প্রয়োগ করে প্রেমিকের সহায়তায় হত্যা করে। এরপর টুকরো টুকরো করে সেগুলো প্ল্যাস্টিকের ড্রামে ভরে মুখ সিমেন্ট দিয়ে আটকে দেন। হত্যার পর প্রেমিক সাহিলকে নিয়ে মানালিও ঘুরতে যান মুসকান। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করলে বেরিয়ে আসে আসল ঘটনা। গ্রেফতারের পর বর্তমানে প্রেমিক-প্রেমিকা বিচারবিভাগীয় হেফাজতে আছেন।

কারাগার সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানায়, প্রেমিক সাহিল কারাগারে ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করছেন না, ঠিক মতো ঘুমাচ্ছেন না। তার মেজাজও খিটখিটে থাকে। ধারণা করা হচ্ছে তিনি মাদকাসক্ত। এদিকে প্রেমিকা মুসকানের মনও খারাপ। পুলিশ অধিকতর তদন্তের জন্য তাদের রিমান্ড চেয়েছে।

আপডেট : ১২:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

স্বামীকে হত্যার পর প্রেমিকের সঙ্গে একই কারাগারে থাকতে চান প্রেমিকা

আপডেট : ১২:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
১০২

প্রেমিকে সাথে নিয়ে স্বামীকে নির্মমভাবে হত্যার পর একই কারাগারে থাকার আবেদন জানিয়েছেন প্রেমিকা। তবে আদালত তার এই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহরে।

পুলিশ সূত্রে দেশটির গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ২০১৬ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেন মুসকান ও সাবেক নৌ কর্মকর্তা সৌরভ রাজপুত। তাদের ছয় বছরের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। তবে বিয়ের পর থেকেই সৌরভের পরিবারের সঙ্গে মুসকানের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর ফলে সৌরভ স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় ওঠেন। ২০১৯ সালে মুসকান ও তার বন্ধু সাহিলের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন সৌরভ। এর প্রেক্ষিতে তিনি বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলেও মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। সৌরভ সাবেক নৌ কর্মকর্তা ছিলেন। সম্পর্কের অবনতির দুই বছর পর তিনি ২ বছর লন্ডনে চলে যান। এরপর সম্প্রতি মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে দেশে ফিরে আসেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মুসকান তার স্বামীর ওপর মাদক প্রয়োগ করে প্রেমিকের সহায়তায় হত্যা করে। এরপর টুকরো টুকরো করে সেগুলো প্ল্যাস্টিকের ড্রামে ভরে মুখ সিমেন্ট দিয়ে আটকে দেন। হত্যার পর প্রেমিক সাহিলকে নিয়ে মানালিও ঘুরতে যান মুসকান। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করলে বেরিয়ে আসে আসল ঘটনা। গ্রেফতারের পর বর্তমানে প্রেমিক-প্রেমিকা বিচারবিভাগীয় হেফাজতে আছেন।

কারাগার সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানায়, প্রেমিক সাহিল কারাগারে ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করছেন না, ঠিক মতো ঘুমাচ্ছেন না। তার মেজাজও খিটখিটে থাকে। ধারণা করা হচ্ছে তিনি মাদকাসক্ত। এদিকে প্রেমিকা মুসকানের মনও খারাপ। পুলিশ অধিকতর তদন্তের জন্য তাদের রিমান্ড চেয়েছে।