চুয়াডাঙ্গা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

Padma Sangbad
১৩৬

ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরাও মোতায়েন রয়েছেন।
বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি আগের চেয়ে এখন অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। কাজ করতে কোন ধরনের অসুবিধা হচ্ছে না। যাত্রীদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সারাদেশে ‘কমপি¬ট শাটডাউন’ চলাকালে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিন ঢাকার বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা, ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর ফলে রাজধানীর সঙ্গে কার্যত সারা দেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের পক্ষ থেকে শুক্রবার রাত থেকে সারা দেশে কারফিউ জারি করা হয়।
এসময় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য ঢাকাসহ দেশজুড়ে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এখনো বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।
কারফিউ চলাকালে বিমানবন্দরে আসা যাওয়ার পথে বিদেশগামী যাত্রী এবং বিদেশ ফেরত যাত্রীদের বিমানের টিকেটই কারফিউ পাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরপরও যাত্রীদের মধ্যে এক ধরনের ভয় ও শংকা কাজ করেছে। তবে কারফিউ শিথিল করার ফলে তাদের মধ্যে অনেকটাই স্বস্তি ফিরে এসেছে। ভয় কেটে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত সেখানে কাজ কর্ম স্বাভাবিক ছিল।
বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, আন্দোলন চলাকালে বিএনপি-জামায়াত শিবিরের ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও নৈরাজের মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে কেউ কেউ আটকা পড়েছেন। সেখানে তাদের কয়েকরাত অপেক্ষা করতে হয়েছে। গত ১৯ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত তিনটি এয়ারলাইনসের আন্তর্জাতিক রুটে ১৭টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। বিশেষ করে ১৯ ও ২০ জুলাই সৌদিয়া এয়ার লাইনসের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এতে চারটি ফ্লাইটে যাত্রী ছিলেন ৪ হাজার ২শ’ জন। এ সময় তাদের অনেকেই বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ সাংবাদিকদের জানান, আন্দোলন চলাকালে কিছু সমস্যা হয়েছিল, তবে সেগুলো আস্তে আস্তে কমে আসছে। এখন অনেকেই নির্ধারিত ফ্লাইট সময়সূচীর আগেই বিমানবন্দরে পৌঁছাচ্ছেন। বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি আগের চেয়ে এখন অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। কাজ করতে কোন ধরনের অসুবিধা হচ্ছে না।
আজ বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) পুলিশের এএসপি (মিডিয়া) জিয়াউর রহমান পলাশ বাসস’কে জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করছে। স্বাভাবিকভাবে সকল কার্যক্রম চলছে। সকল ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে উঠানামা করছে।

আপডেট : ১২:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪

শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

আপডেট : ১২:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪
১৩৬

ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরাও মোতায়েন রয়েছেন।
বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি আগের চেয়ে এখন অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। কাজ করতে কোন ধরনের অসুবিধা হচ্ছে না। যাত্রীদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সারাদেশে ‘কমপি¬ট শাটডাউন’ চলাকালে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিন ঢাকার বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা, ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর ফলে রাজধানীর সঙ্গে কার্যত সারা দেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের পক্ষ থেকে শুক্রবার রাত থেকে সারা দেশে কারফিউ জারি করা হয়।
এসময় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য ঢাকাসহ দেশজুড়ে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এখনো বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।
কারফিউ চলাকালে বিমানবন্দরে আসা যাওয়ার পথে বিদেশগামী যাত্রী এবং বিদেশ ফেরত যাত্রীদের বিমানের টিকেটই কারফিউ পাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরপরও যাত্রীদের মধ্যে এক ধরনের ভয় ও শংকা কাজ করেছে। তবে কারফিউ শিথিল করার ফলে তাদের মধ্যে অনেকটাই স্বস্তি ফিরে এসেছে। ভয় কেটে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত সেখানে কাজ কর্ম স্বাভাবিক ছিল।
বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, আন্দোলন চলাকালে বিএনপি-জামায়াত শিবিরের ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও নৈরাজের মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে কেউ কেউ আটকা পড়েছেন। সেখানে তাদের কয়েকরাত অপেক্ষা করতে হয়েছে। গত ১৯ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত তিনটি এয়ারলাইনসের আন্তর্জাতিক রুটে ১৭টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। বিশেষ করে ১৯ ও ২০ জুলাই সৌদিয়া এয়ার লাইনসের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এতে চারটি ফ্লাইটে যাত্রী ছিলেন ৪ হাজার ২শ’ জন। এ সময় তাদের অনেকেই বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ সাংবাদিকদের জানান, আন্দোলন চলাকালে কিছু সমস্যা হয়েছিল, তবে সেগুলো আস্তে আস্তে কমে আসছে। এখন অনেকেই নির্ধারিত ফ্লাইট সময়সূচীর আগেই বিমানবন্দরে পৌঁছাচ্ছেন। বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি আগের চেয়ে এখন অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। কাজ করতে কোন ধরনের অসুবিধা হচ্ছে না।
আজ বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) পুলিশের এএসপি (মিডিয়া) জিয়াউর রহমান পলাশ বাসস’কে জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করছে। স্বাভাবিকভাবে সকল কার্যক্রম চলছে। সকল ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে উঠানামা করছে।